• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নেবেন বিজয়

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন থালাপতি বিজয়। অবশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতের পর রোববার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতিকে শপথ নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। চারটি দলের ১১টি আসন যুক্ত হওয়ায় টিভিকের আসন দাঁড়ালো ১২১টি। এর আগে, প্রয়োজনীয় দুটি আসন দিয়ে থালাপতিকে নিঃশর্ত সমর্থনের ঘোষণা দেয় ভিসিকে। তারপর চতুর্থবারের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে শপথের অনুমতি পান থালাপতি।

অবশেষে সব জটিলতা কাটিয়ে রোববার বিকেলে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন থালাপতি বিজয়। প্রয়োজনীয় দুটি আসনে ভিসিকের নিঃশর্ত সমর্থন পেয়ে ১১৮ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজয়ের দল টিভিকে। এরপর চতুর্থবারের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন থালাপতি। এসময় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতের পর সরকার গঠনের অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল- এমনই খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

সরকার গঠনে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকের জয় পাওয়া ১০৮টি আসনের সাথে যুক্ত হলো.কংগ্রেসের ৫টি, বাম দল সিপিএমের ২, সিপিআইর ২ এবং দলিতদের দল ভিসিকের দুটি আসন। সবমিলিয়ে ১২১টি আসন নিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর।

তবে এরমধ্যেও থালাপতির বিরুদ্ধে রাজ্যপালের কাছে জাল সমর্থন পত্র দেখানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি ও এডিএমকের সহযোগী দল এএমএমকে। ইতোমধ্যে তারা বিজয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। এএমএমকে প্রধান টিটিভি দীনকরণের দাবি, শুক্রবার রাজ্যপালের কাছে যে ১১৯ জন বিধায়কের সমর্থন পত্র জমা দিয়েছেন তার মধ্যে তার দলের একজন বিধায়ক এস কামরাজের নাম রয়েছে। যিনি সমর্থন পত্রে স্বাক্ষরই করেন নাই।

এদিকে, ২০১৫ সালে পুলি নামে তামিল চলচ্চিত্রের আয়কর সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে মামলা নিতে থালাপতির বিজয়ের বিরুদ্ধে মাদ্রাজ হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। যদি আদালত এই মামলা আমলে নেয় তাহলে বিজয়ের শপথ নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।