• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক আজ ভোরে দেশে ফেরত এসেছেন। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ সহায়তায় স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় তারা দেশে ফেরেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে আজ ভোর ৫টার দিকে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এতে লিবিয়া সরকার ও আইওএম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফেরত আসা এই বাংলাদেশিদের অধিকাংশই দালালদের খপ্পরে পড়ে লিবিয়া গিয়েছিলেন। ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা তাদের অবৈধভাবে সমুদ্রপথে লিবিয়ায় নিয়ে গিয়েছিল।

লিবিয়ায় থাকাকালীন এই ব্যক্তিদের অনেকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন ও নানা ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হন বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা এবং আইওএম-এর কর্মকর্তারা ফেরত আসাদের স্বাগত জানান।

পুনর্বাসন সহায়তার অংশ হিসেবে আইওএম-এর পক্ষ থেকে প্রত্যেককে যাতায়াত ভাড়া, খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের বিপদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ফেরত আসা ব্যক্তিদের নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা অন্যদের সামনে তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে বা আটক কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।