• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ

পিএসএলে হায়দ্রাবাদ কিংসমেনকে হারিয়ে পেশোয়ার জালমির ঘরে দ্বিতীয় শিরোপা

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ পাকিস্তান সুপার লিগে ফাইনালে হায়দ্রাবাদ কিংসমেনকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত শিরোপা জিতলো পেশোয়ার জালমি। পিএসএল ফাইনালে প্রথম পেসার হিসেবে মেইডেন নেয়ার কীর্তিসহ দুই উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশি তারকা নাহিদ রানা।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে হায়দ্রাবাদকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পেশোয়ার অধিনায়ক বাবর আজম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাজ সাদাকাতের উইকেট হারায় দলটি।

প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মার্নাস ল্যাবুশেইন ও সাইম আইয়ুব। দু’জনের ৩৫ রানের জুটি ভাঙেন অ্যারন হার্ডি। এরপর পেশোয়ারের পেসারদের আঘাতে ভেঙে পড়ে হায়দ্রাবাদের ব্যাটিং লাইনআপ।

একপ্রান্ত আগলে সাইম ফিফটি হাঁকালেও অন্যদের ব্যর্থতায় মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় কিংসমেন। হার্ডি শিকার করেন ৪ উইকেট। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে প্রথম বলেই সাজঘরে পাঠানোসহ ২২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন টাইগার পেসার নাহিদ রানা।

১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৪০ রানে ৪ উইকেট হারায় পেশোয়ার। তবে আবদুল সামাদের সঙ্গে অ্যারন হার্ডির ৮৫ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয় নাহিদ রানার দলের।

 

৪৮ রান করে সামাদ বিদায় নিলেও, ৫৬ রান করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করে মাঠ ছাড়েন অজি অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডি। এ নিয়ে ২০১৭ সালের পর আবারও পিএসএল ট্রফি জিতলো পেশোয়ার জালমি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।