• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ

‎চলতি বছরে ষষ্ঠ সমাবর্তনসহ হীরক জয়ন্তী উদযাপন করবে রুয়েট

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

‎রুয়েট প্রতিনিধি, ৩ মে ২০২৬
‎
‎ষষ্ঠ সমাবর্তন ও ৬০ বছর পূর্তিতে হীরক জয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)। এ বিষয়ে শনিবার (২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫৭তম সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এমন অবস্থায় চলতি বছরের শেষের দিকে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে সাবেক ও বর্তমান সকল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সমাবর্তন ও হীরক জয়ন্তী পালন করা হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরে জানানো হয়, রুয়েটে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ইতোমধ্যে একাধিক শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি অর্জন করেছেন। প্রতিনিয়ত তাদের মূল সনদপত্রের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে ওই সব শিক্ষার্থীরা যোগাযোগ করছেন। সাময়িক সনদপত্র দিয়ে যে সমস্ত শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য আবেদন করছেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকেও মূল সনদপত্র চেয়ে রুয়েট প্রশাসনের কাছে পত্র প্রেরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায়, ৬ষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজন জরুরি হয়ে পড়েছে।
‎
‎এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরুর ৬০ বছর পূর্তিতে হীরক জয়ন্তী উদযাপনের বিষয়েও সভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় জানানো হয়, বর্তমান রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৪ সালে ‘প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়, রাজশাহী’ (ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ) নামে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালের ১২ মার্চ তদানীন্তন রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই হতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’ (বিআইটি), রাজশাহীতে রূপান্তরিত হয়।
‎
‎পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৩ সালের ১৯ জুলাই গেজেটে প্রকাশিত ২০০৩ সনের ৩২ নং আইন মোতাবেক প্রকৌশল ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আধুনিক জ্ঞান চর্চা ও পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্প্রসারণের নিমিত্তে বিআইটি, রাজশাহীকে উন্নীত ও রূপান্তরক্রমে ‘রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ (রুয়েট)-এ পরিণত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি রুয়েট নামে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর হতে কার্যক্রম শুরু করে।
‎
‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৬০ বছরে পদার্পণ করেছে। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠান হতে ডিগ্রি লাভ করে বহু প্রথিতযশা প্রকৌশলী দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। এমন অবস্থায়, প্রতিষ্ঠানের নবীন এবং প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে ৬০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
‎
‎এ বিষয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘রুয়েট পরিবারের জন্য আগামী সমাবর্তন এবং হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে এলামনাই রিইউনিয়ন একটি অত্যন্ত গৌরবময় ও আনন্দঘন মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। এই আয়োজন শুধু আমাদের স্নাতকদের সাফল্য উদযাপনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন পুনর্গঠনের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে। রুয়েট তার গৌরবময় পথচলায় যে উচ্চতায় পৌঁছেছে, তার পেছনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অবদান অনেক। আমি আশা করি, এই মহাসমাবেশ আমাদের সবার মধ্যে নতুন প্রেরণা জাগাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। সকলকে এই ঐতিহাসিক আয়োজনের অংশীদার হওয়ার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।