• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজার ছেলে রাজা হবে, রানীর ছেলে রাজা হবে; বাংলাদেশ থেকে এ ধরনের রাজনীতি ভেঙে দিতে চান বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেটে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সিলেট এয়ারপোর্টটা পূর্ণমানের আন্তর্জাতিক না হওয়ার কারণে শুধু অল্প বিমানের ওঠানামা হয়, তাও লন্ডন থেকে। আর মাঝেমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দুই-একটা দেশ থেকে বিমান সিলেট হয়ে ঢাকা যায়। কিন্তু আমাদের বিপুল সংখ্যক মানুষ ইউরোপ-আমেরিকায় আছে, পশ্চিমা বিশ্বে আছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মাত্র তিনটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। অন্য দুইটাতে বিমান আসে, কিন্তু সিলেটে আসে না। অথচ সিলেটিরা দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখে চলেছে। দেশের ক্ষুদ্র কোনো দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে ইনশা আল্লাহ সিলেট বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক হবে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা চাই না, শুধু রাজার ছেলে রাজা হবে, রানীর ছেলে রাজা হবে। আমরা চাই, আমার একজন শ্রমিক ভাই বা বোনের মেধাবী সন্তান যদি থাকে। সরকার তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। সে একদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে, ইনশা আল্লাহ। আমরা ওই দেশটা গড়ে তুলতে চাই। এ ধরনের রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই।’

সিলেটবাসীর জন্য সুপেয় পানি পাওয়া আলাদীনের চেরাগের মতো বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তার দল ক্ষমতায় এলে এ সমস্যা দূর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আল্লাহ দায়িত্ব দিলে বাংলাদেশের মাটিতে চাঁদাবাজির জন্য হাত বাড়াতে পারবে না। আমাকে দায়িত্ব দিলে ৫৪ হাজার বর্গমাইলের এক ইঞ্চির সঙ্গে আমি বেঈমানি করতে পারবো না। আমরা সুযোগ পেলে ৫ বছরে দেশের চেহারা পালটে যাবে ।’

তিনি বলেন, ‘আমার নামে যারা জঘন্য অপবাদ করেছে,তাদের আমি মাফ করে দিলাম। আমরা কথা দিচ্ছি আমরা দেশের মালিক হবো না, আমরা আপনাদের সম্পদ চৌকিদারের কাজ করবো।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।