ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সিলেট এয়ারপোর্টটা পূর্ণমানের আন্তর্জাতিক না হওয়ার কারণে শুধু অল্প বিমানের ওঠানামা হয়, তাও লন্ডন থেকে। আর মাঝেমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দুই-একটা দেশ থেকে বিমান সিলেট হয়ে ঢাকা যায়। কিন্তু আমাদের বিপুল সংখ্যক মানুষ ইউরোপ-আমেরিকায় আছে, পশ্চিমা বিশ্বে আছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মাত্র তিনটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। অন্য দুইটাতে বিমান আসে, কিন্তু সিলেটে আসে না। অথচ সিলেটিরা দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখে চলেছে। দেশের ক্ষুদ্র কোনো দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে ইনশা আল্লাহ সিলেট বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক হবে।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা চাই না, শুধু রাজার ছেলে রাজা হবে, রানীর ছেলে রাজা হবে। আমরা চাই, আমার একজন শ্রমিক ভাই বা বোনের মেধাবী সন্তান যদি থাকে। সরকার তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। সে একদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে, ইনশা আল্লাহ। আমরা ওই দেশটা গড়ে তুলতে চাই। এ ধরনের রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই।’
সিলেটবাসীর জন্য সুপেয় পানি পাওয়া আলাদীনের চেরাগের মতো বলে জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তার দল ক্ষমতায় এলে এ সমস্যা দূর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আল্লাহ দায়িত্ব দিলে বাংলাদেশের মাটিতে চাঁদাবাজির জন্য হাত বাড়াতে পারবে না। আমাকে দায়িত্ব দিলে ৫৪ হাজার বর্গমাইলের এক ইঞ্চির সঙ্গে আমি বেঈমানি করতে পারবো না। আমরা সুযোগ পেলে ৫ বছরে দেশের চেহারা পালটে যাবে ।’
তিনি বলেন, ‘আমার নামে যারা জঘন্য অপবাদ করেছে,তাদের আমি মাফ করে দিলাম। আমরা কথা দিচ্ছি আমরা দেশের মালিক হবো না, আমরা আপনাদের সম্পদ চৌকিদারের কাজ করবো।’




















