• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আ’লীগের দোসরদের প্রতীক দিলে নির্বাচন হতে দেব না রুমিন ফারহানা পেলেন হাঁস প্রতীক বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারকে ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ৪৪৮ ঘর ও ১০টি স্কুল এনসিপির রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ইউরোপের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মনোযোগ দেওয়া উচিত, গ্রিনল্যান্ডে নয় অবরুদ্ধের ১২ ঘণ্টা পর মুক্ত ভিসি; শাকসু নির্বাচনের দাবিতে আজ দিনভর কর্মসূচি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা কুষ্টিয়ায় আমির হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ; জেলা আমিরের আকস্মিক মৃত্যু ভারতে খেলতে না গেলে বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ৪৪৮ ঘর ও ১০টি স্কুল

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪৪৮টি ঘর, ১০টি স্কুল, ২টি মসজিদ ও একটি মক্তব পুড়ে গেছে। গতকাল (সোমবার, ১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের ১৬ নম্বর শফিউল্লাহ কাটা ক্যাম্পে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা।

ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিটের প্রায় ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী বসতঘর ও শেডগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন লাগায় ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে লার্নিং সেন্টারসহ বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ বা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করা হচ্ছে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর ক্যাম্পের একটি হাসপাতাল ভস্মীভূত হয়। ২৫ ডিসেম্বর কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আগুনে ১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।