• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন ১২ তারিখের নির্বাচন জাতির টার্নিং পয়েন্ট : শফিকুর রহমান

জকসু নির্বাচন আগামীকাল

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন কাল (মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর)।বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো অধিকার আদায়ের প্রতিনিধিকে নির্বাচনের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। পুরো নির্বাচনকে উৎসবের রূপ দিতে প্রস্তুত ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস নির্বাচন কমিশনারের।

জকসু! রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে থেকেও আবাসন সুবিধাহীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচন।

জুলাই-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জকসুর দাবিতে বারংবার সোচ্চার ছিলেন শিক্ষার্থীরা। অবশেষে ৩০ তারিখে অপেক্ষার অবসান। ভোটের আগমুহূর্তে ক্যাম্পাসজুড়ে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা।

শিক্ষার্থীরা জানান, এত বছর পর জকসু হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা চান নির্বাচন সুষ্ঠু হোক। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে চান তারা। জকসুর মাধ্যমে এত বছর ধরে চলে আসা আবাসন সমস্যারও সমাধান হবে বলে আশা শিক্ষার্থীদের।

শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, দাবি আদায়ের এই যাত্রায় নেতৃত্ব দিতে মুখিয়ে রয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলোও।

ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘সবাই এনজয় করছে। প্রার্থীরা সবার কাছে যাচ্ছে, ভোট চাচ্ছে। সবাই সবাইকে সাদরে গ্রহণ করছে, কথা বলছে। খুবই ফেস্টিব মুডে আছে। ক্যাম্পাসের জন্য সুন্দর একটা আবহ বিরাজ করছে।’

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী একেএম রাকিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সবাই এনজয় করছে। আশা করছি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এটা পূর্ণতা পাবে।’

এদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছেন একাধিক পক্ষ। বড় রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, কয়েক ঘণ্টায় যেরকম কালো টাকার ছড়াছড়ি তা উৎসবের আমেজটাকে পুরো ধ্বংস করে দিয়েছে।

সব অভিযোগ ও শঙ্কার মধ্যেও ইতিবাচক ভাবনায় বিশ্বাস রাখার আহ্বান নির্বাচন কমিশনারের। জানালেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন।

জকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের জন্য ৩৮টি এবং ১টি হল সংসদের জন্য। মোট ৩৯টি কেন্দ্র আছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন সম্পর্কে প্রথম থেকেই টুকটাক অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে। আমরা অনেকগুলো খতিয়ে দেখেছি, কথা বলেছি তাদের সঙ্গে। শেষ মুহূর্তে এসেও দুয়েকটা অভিযোগ আসছে। আমি সকলকে এটা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার অনুরোধ করবো।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।