• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা আয়ারল‍্যান্ডের সঙ্গে সিরিজে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে আমদানি, নেই জাহাজ জট ঢাবিতে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু জেলখানায় খালেদা জিয়ার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিলো- রিজভী ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে-মাহমুদুর রহমান মান্না জামায়াতের নায়েবে আমির হলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা এবি পার্টির মাজার জিয়ারত করে প্রচারণায় নামলেন মিজানুর রহমান মিনু

আয়ারল‍্যান্ডের সঙ্গে সিরিজে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ

Reporter Name / ৯ Time View
Update : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ সিরিজে পিছিয়ে থেকেও ব্যাটারদের দৃঢ়তায় দেশের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়ার কীর্তি গড়ে সিরিজে সমতা ফেরালো টাইগাররা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে চার উইকেটে জিতলো লিটন দাসের দল। আয়ারল‍্যান্ডের ১৭০ রান দুই বল বাকি থাকতেই পেরিয়ে গেছে স্বাগতিকরা।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ হারার শঙ্কা মাথায় নিয়েই ম্যাচ শুরু হরে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই আইরিশ ওপেনার পল স্টারলিং ও টিম টেক্টর। শেখ মেহেদী নাসুম কিংবা সাইফউদ্দিন কেউই সুবিধে করতে পারেননি।

পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই ৭৫ রান তোলে আইরিশ ব্যাটাররা। ১৪ বলে ২৯ রান করে পল স্টারলিংকে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তানজিম সাকিব। ২৫ বলে ৩৮ রান করা আরেক ওপেনার টিম টেক্টরকে সাঝঘরে ফেরান শেখ মেহেদি। একই ওভারে হ্যারি টেক্টরকে বোল্ড করেন মেহেদি। অল্প সময়ের ব্যবধানে মাত্র সাত রানে বেন কাল্টজকে স্ট্যাম্প আউট করে আইরিশদের রানের গতি কমিয়ে দেন শেখ মেহেদি।

টি-টোয়েন্টিতে দেশের মাটিতে এর আগে সর্বোচ্চ ১৬৬ রানের লক্ষ‍্য তাড়া জিতেছিল বাংলাদেশ। আইরিশদের দেয়া ১৭১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করেন ওপেনার পারভেজ ইমন। মাত্র সাত রানে তামিম রান আউটে কাটা পড়লেও আরেক প্রান্তে বোলারদের উপর ঝড়ো ব্যাটিং অব্যাহত রাখেন ইমন। ডিলানির বলে ডকরেলকে ক্যাচ দেয়ার আগে খেলেন ২৮ বলে ৪৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন লিটন। এইডের বলে লেগ বিফোর হওয়ার আগে খেলেন ৩৭ বলে ৫৭ রানের ক্যাপ্টেন্স নক।

শেষ দিকে টানা দুই ওভারে তাওহিদ হৃদয় ও সোহান সাঝঘরে ফিরলে জমে উঠে ম্যাচ। তবে সাত বলে এক ছক্কা ও দুই চারে ১৭ রানের কার্যকরী ইনিংসে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। চার মেরে ম‍্যাচ শেষ করেন শেখ মেহেদি। এ সংস্করণে টানা চার হারের পর জয় পেলো লিটন বাহিনী।

কিপিংয়ে দুই স্ট্যাম্পিং ও ৫৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা অধিনায়ক লিটন। আগামী ২ ডিসেম্বর সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।