• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন ১২ তারিখের নির্বাচন জাতির টার্নিং পয়েন্ট : শফিকুর রহমান

মরুর বুকে হলিউড তারকাদের সঙ্গে বাঙালি সাজে মেহজাবীন

Reporter Name / ৫২৬ Time View
Update : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

দেশের শীর্ষ টিভি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী যে এভাবে ২০২৪ সালের প্রায় পুরোটা সময় বিদেশে কাটিয়ে দেবেন, ২০২৩ সাল নাগাদ সেটি কেউ কল্পনাও করেনি। তাও আবার নাটক নয়, সিনেমা নিয়ে। সেটা আবার শুটিং নয়, উৎসবে উৎসবে।

টরন্টো, বুসান, কায়রো হয়ে মেহজাবীন বছরের শেষটা কাটাচ্ছেন সৌদি আরবের জেদ্দায়। যেখানে তিনি এখন সময় কাটাচ্ছেন হলিউড-বলিউডের শীর্ষ তারকাদের সঙ্গে, সেও আবার খাঁটি বাঙালির সাজে।

‘দ্য নিউ হোম অব ফিল্ম‌’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার প্রাণকেন্দ্র আল-বালাদ শহরের কালচার স্কয়ারে শুরু হয়েছে রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চতুর্থ আসর। ঝাঁ চকচকে আন্তর্জাতিক এই উৎসবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র সিনেমা ‘সাবা’। যে ছবিটির মাধ্যমে এক যুগের নাটক ক্যারিয়ার পেরিয়ে সিনেমায় অভিষেক হয় মেহজাবীন চৌধুরীর। নির্মাতা মাকসুদ হোসেনেরও এটি প্রথম সিনেমা। কাছাকাছি সময়ে আরও একটি সিনেমা নিয়ে দুনিয়া ঘোরার ছক এঁকেছেন মেহজাবীন। সেটি হলো শঙ্খ দাশগুপ্তর ‘প্রিয় মালতী’।
সেই পরিকল্পনা ধরে কানাডা (সাবা), কোরিয়া (সাবা), ইন্দোনেশিয়া (সাবা), মিশর (প্রিয় মালতী) হয়ে এবার মরুর দেশ সৌদি আরবে বাংলাদেশ ও নিজের চলচ্চিত্রকে প্রতিনিধিত্ব করছেন চৌধুরী-কন্যা। উৎসবে একেবারে বাঙালিয়ানায় নিজেকে সাজিয়েছেন তিনি। সেই সাজেই হলিউড তারকাদের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হতেও দেখা যায় মেহজাবীনকে।
অভিনেত্রী নিজেই উৎসবের নানা মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরমধ্যে দেখা মিলেছে হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা উইল স্মিথ এবং ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্টের সঙ্গে একান্তে ছবি তুলতে। সেগুলো প্রকাশ করে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল গ্র্যান্ড ওপেনিং নাইট-এ একমাত্র বাংলাদেশি  সিনেমা ‘সাবা’ প্রতিনিধিত্ব করছে। এখন পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময় চলছে এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের অংশ হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’

উৎসবে মেহজাবীনের পরনে ছিল নীল শাড়ি। সঙ্গে ম্যাচিং করে ফুল স্লিভ ব্লাউজ, হাতে ম্যাচিং করে নীল রঙের ওয়ালেট।  সিঁথি কেটে চুল, কপালে সাদা পাথরের টিপ, কানে নীল ও সাদা পাথরের দুল। সঙ্গে মেরুন কালারের লিপস্টিক। মরুর বুকে যেন বাঙালি নারীর প্রকৃত সৌন্দর্যকে ধারণ করেছেন মেহজাবীন।
মেহজাবীন ছাড়াও ‘সাবা’ সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। সিনেমায় দেখানো হয়েছে এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত মা ও তার মেয়ের গল্প। মা অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তার দেখাশোনার পুরো দায়িত্ব পালন করে সাবা। মায়ের চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করার জন্য তাকে কাজ নিতে হয় সিসা বারে।
‘সাবা’ সিনেমাটি নির্বাচিত হয়েছে রেড সি আসরের প্রতিযোগিতা বিভাগে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১৫টি চলচ্চিত্রের সঙ্গে লড়ছে ‘সাবা’। তাই নয়, এ উৎসবে ‘সাবা’র তিনটি প্রদর্শনী রাখা হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর কালচার স্কয়ার-সিনেমা ১-এ হবে প্রথম প্রদর্শনী। এরপর ৯ ও ১৪ ডিসেম্বর একই স্থানে আরও দুটি প্রদর্শনী হবে। উৎসবটি চলবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।