• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে

ব্যাংকের এমডিদের যে বার্তা দিলেন গভর্নর

Reporter Name / ২২৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, কোনও ব্যাংক যেন ডলার ধরে রেখে মার্কেট ম্যানুপুলেশন না করে। কোনও ব্যাংকের ইমপোর্ট পেমেন্ট করতে ডিলে (বিলম্ব) হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আমদানি এলসি খোলায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।

সোমবার (১১ নভেম্বর) বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় ব্যাংকগুলোকে এ কথা বলা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা।

হোসনে আরা শিখা বলেন, ব্যাংকগুলো জানিয়েছে, জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ফরেন মার্কেট আরও বেশি স্থিতিশীল হবে। এখনও স্থিতিশীল আছে। গভর্নর এখন পর্যন্ত যেসব আমদানি এলসি খোলা হয়েছে, সেগুলোর পেমেন্ট যথাসময়ে সম্পন্ন করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

মুখপাত্র আরও বলেন, সভায় এক্সচেঞ্জ রেট ও ফরেক্স মার্কেট নিয়ে আলাপ হয়েছে। ব্যাংকগুলো জানিয়েছে, এমনিতে বড় ধরনের কোনও চ্যালেঞ্জ না থাকলেও ওভারডিউ পেমেন্টের চাপ রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের এমডি পদের সঙ্গে যখন তারা সাক্ষাৎ করেছেন, তারা জানিয়েছেন যে কোনও কোনও ক্ষেত্রে কনফার্মিং ব্যাংকগুলো হয়তো আগেই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করে দিচ্ছে। কিন্তু সেই কনফার্মিং ব্যাংক যখন এলসি সম্পন্ন হওয়ার পর পেমেন্ট পুনর্ভরণ করতে চাচ্ছে, তখন তারা সেটা সময়মতো পাচ্ছে না। গভর্নর এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন এবং বলেছেন, যেসব ব্যাংক এ ধরনের কাজে সম্পৃক্ত থাকবে, তাদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিষয়ে চিন্তা করতে পারে।

সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা, ডাচ-বাংলা, ইস্টার্ন, পূবালীসহ ১৭টি ব্যাংকের এমডি সভায় অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “ব্যাংকের এমডিদের যে বার্তা দিলেন গভর্নর”

  1. Hi! I’m at work browsing your blog from my new iphone 3gs!
    Just wanted too ssay I love reading through your blog and lok forward too
    all your posts! Carry onn the excellent work! https://www.gametwist.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।