• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শান্ত যা বললেন দেশে ফেরা নিয়ে

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪

কানপুর টেস্ট শুরুর আগে সাকিব আল হাসান টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। লাল বলের ক্রিকেটে অবশ্য ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলেই অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার আরও জানিয়েছিলেন, দেশে নিরাপত্তা পেলেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবেন তিনি। দুইদিন আগে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেছেন, সাকিবকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তার এই বক্তব্যের পরই সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনায় যুক্ত হয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও।

রবিবার শ্রীমান্ত মাধবরাও সিন্ধিয়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সংবাদ সম্মেলনে ঘুরে ফিরে এসেছে সাকিবের প্রসঙ্গ।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, সাকিবকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। সেই সূত্রে শান্তর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান, এটা হবে প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য স্বস্তির, ‘সাকিব ভাইয়ের ব্যাপারে যেটা বললেন, এটা অবশ্যই উনি যদি দেশের মাটিতে গিয়ে খেলতে পারেন, আমাদের প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য একটা স্বস্তির ব্যাপার হবে।’

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়াতে সাকিবকে ছাড়াই রবিবার প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে মাঠে নামতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলেছে ১৭৬ ম্যাচ। সাকিব খেলেছেন ১২৯টি। সাকিবের মতো একজন অলরাউন্ডার না থাকায় স্বাভাবিকভাবে একাদশ সাজাতে কিছুটা হলেও বেগ পেতে হবে। অধিনায়ক শান্তও এমনটাই মনে করেন, ‘সাকিব ভাইয়ের ব্যাপারটা হলো, অবশ্যই উনি এতদিন ছিলেন, এখন একাদশ সাজাতে একটু প্রবলেম হবেই। কারণ, উনি দুই দিক থেকে ভালো।’

সাকিব না থাকায় মেহেদী হাসান মিরাজকে দলে ফিরিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। অধিনায়কেরও ভরসা আছে তার ওপর, ‘আমরা মিরাজকে দলে নিয়ে এসেছি। আশা করবো, যে মিরাজ ওই জায়গাটায় চেষ্টা করবে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার জন্য। সাকিব ভাই নাই, এটা আমাদের জন্য নতুন ব্যাপার, বিশেষ করে এই সংস্করণে। এখানে মিরাজ আছে, আশা করবো যে মিরাজ আমাদেরকে ভালো একটা শুরু দেবে। আমি আশা করছি, এই দল ভালো ফলই করবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।