• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

ফারুকী: বিপ্লব হ্যাজ ঠু মেনি প্রোপ্রাইটরস নাউ

Reporter Name / ১৮১ Time View
Update : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শুধু সিনেমা বা মিডিয়া নয়। দেশ ও দশের বিষয়ে বরাবরই সোশ্যাল হ্যান্ডেলে উচ্চকিত থাকেন নির্মাতা-অভিনেতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ফলে বিপ্লব আর বিজয়ের পরেও তার কণ্ঠ স্বস্তিতে চুপ নেই। বরং প্রতিনিয়ত তিনি সরকার ও রাজনীতির নানান প্রেক্ষাপটে নিজের মন্তব্য তুলে ধরছেন।

সর্বশেষ অদ্য (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফারুকী স্পষ্ট ভাষায় বললেন, ‘বিপ্লব হ্যাজ ঠু মেনি প্রোপ্রাইটরস নাউ!’। বলতে চাইছেন, যে বিপ্লবের মাধ্যমে বিজয় হলো, এখন সেটির মালিকানা দাবি করছেন অনেকেই।

এর কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন এই নির্মাতা। বললেন, ‘যেহেতু বিপ্লবে স্টেকহোল্ডার ছিল অনেক। সবাই মনে করছে এই বিপ্লব তার। সুতরাং দেশটা উনি বা ওনারা যেভাবে চাচ্ছে সেভাবেই গোছাতে হবে, চলতে হবে। যেটা ফ্যাসিস্ট সরকারও মনে করতো।’

এটি যে স্টেকহোল্ডারদের ঠিক ভাবনা নয় সেটিও মনে করিয়ে দিলেন। বললেন, ‘প্রিয় ভাই ও বোনেরা, ৫ আগস্ট কোনও বিশেষ মতাদর্শের পক্ষে ম্যান্ডেট প্রদান করে নাই জনগণ! এটা পরিষ্কার মাথায় রাখা ভালো। ৫ আগস্ট জনগণ হাসিনার দুঃশাসন থেকে মুক্তির রায় দিয়েছে।’

ফারুকী মনে করেন, নিজের মতবাদ বা মতাদর্শ রাষ্ট্রের ওপর না চাপিয়ে জনগণের কাছে যেতে হবে। অর্থাৎ জনগণের ভোটাধিকারের প্রতিই জোর দিয়েছেন নির্মাতা। তার ভাষায়, ‘এখন যার যা এজেন্ডা আছে, কী ধরনের সরকার বানাতে চান, দেশটাকে কী রকম করতে চান, এগুলো নিয়ে জনগণের কাছে যান। জনগণ ভোটে নির্ধারণ করবে, কাদেরটার পক্ষে তারা আছে। ক্লিয়ার?’

বলা দরকার, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সর্বশেষ আলোচনায় ছিলেন নিজের নির্মাণে ও অভিনয়ে ‘সামথিং লাইক এন অটোবায়োগ্রাফি’ দিয়ে। তবে লম্বা সময় হতাশায় আছেন তার ‘শনিবার বিকেল’ সেন্সরের হিমাগারে আটকে থাকার কারণে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।