• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

চুল কালো করার ঘরোয়া উপায়

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের চুলের পিগমেন্ট কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। যখন চুলের স্ট্র্যান্ডে কম রঙ্গক কোষ থাকে, তখন এটি রঙ হারায় এবং ধূসর, রূপালী বা সাদা হয়ে যায়। এটি মেলানিনের কমে যাওয়ার কারণে হয়। তবে আজকাল কম বয়সেও চুল ধূসর হয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে এমনটি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কৃত্রিম রঙের চেয়ে প্রাকৃতিক উপায় বেছে নিতে পারেন চুল কালো করার জন্য। এগুলো ধীরে ধীরে কাজ করলেও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থের কারণে চুল বা শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার ভয় থাকে না।

১। আমলকী এবং মেথি হেয়ার মাস্ক
আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে, যা চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। মেথিতে প্রোটিন থাকে, যা চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। আমলকী-মেথির হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে আমলকীর গুঁড়া, মেথির গুঁড়া এবং কারি পাতার গুঁড়া দই বা পানির সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। সপ্তাহেএকদিন  এই হেয়ার প্যাকটি লাগান।

২। আলুর খোসা
আলুর খোসা ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক কালো চুলের জন্য। পিগমেন্টেশন বাড়ানো এবং ধূসর চুল ঢেকে রাখার অন্যতম সহজ সমাধান এটি। ৬টি আলু থেকে খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং ২ কাপ পানি যোগ করুন। ঘন স্টার্চ না পাওয়া পর্যন্ত আলুর খোসা সেদ্ধ করুন। ঠান্ডা হওয়ার পর খোসা ছাড়িয়ে ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু শেষে চুল ধোয়ার পর এই পানি দিয়ে ধুয়ে নিন চুল।

৩। ব্ল্যাক টি
চায়ের লিকার ব্যবহার করলেও কালো হবে চুল। ২ টেবিল চামচ চা পাতা ১ কাপ পানি দিয়ে ফুটান। ঠান্ডা হলে চুলে লাগান এই লিকার। ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার আগে এক ঘন্টা রেখে দিন। সর্বোত্তম ফলের জন্য এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

৪। কারি পাতা এবং নারকেল তেল 
কারি পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি, যা মেলানিন তৈরি করতে সাহায্য করে। একটি প্যানে ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করুন। আঁচ বন্ধ করুন এবং ১২ থেকে ১৪টি কারি পাতা যোগ করুন। এটি ২০ মিনিটের ফুটান। ঠান্ডা হয়ে গেলে মিশ্রণটি দিয়ে মাথার ত্বক এবং চুল ম্যাসাজ করুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।