• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

কাভার্ডভ্যানের চালকসহ ৪ জন নিহত বগুড়ায় বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

বগুড়ার শাজাহানপুরে যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক এবং নারীসহ চার জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও সাত জন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার বনানী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম।

নিহতরা হলেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামের ফুড়াল হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন, বরিশালের হিজলা উপজেলার টুংচরের টিটু খানের ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক মো. হৃদয় (৩০), মো. শামীম হোসেন (৪০) ও অজ্ঞাতনামা এক নারী।

আহতরা হলেন নওগাঁ সদরের দীঘিরপাড় এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে শাওন হোসেন (৩০), বগুড়া সদরের সিলিমপুর এলাকার আবদুল গফুরের ছেলে রেজাউল করিম (৪৫), শেরপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের শাহীন মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সৈকত (১৮), কাহালু উপজেলার কাজীপাড়ার ফেরদৌসের ছেলে সুজন মিয়া (৩৫), বরিশালের হিজলা উপজেলার টুংচর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে মো. আলিফ (৩৫), রংপুরের ডিমলা উপজেলার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. অমিত (১০) এবং বাবুল মিয়া (৩৫)।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা ছেড়ে আসা নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি বাস সোমবার রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বনানী এলাকায় শাহ সুলতান ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছে। এ সময় ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান সেখানে এলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দ্রুতগতির দুটি গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই কাভার্ডভ্যানের চালক মো. হৃদয় ও অজ্ঞাতনামা ওই নারীর মৃত্যু হয়। এ সময় আহত নয় জনকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীম হোসেন ও জামাল হোসেন মারা যান।

বগুড়ার সিলিমপুর মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী শহর উপপরিদর্শক (এটিএসআই) লালন জানান, বর্তমানে হাসপাতালে সাত জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।