• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

এমপি কাজী নাবিল আহমেদ যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনে ভোট দিলেন

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪

যশোর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী নাবিল আহমেদ। বুধবার (৫ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় সেবাসংঘ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পুরুষ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। পরে সংশ্লিষ্টদের কাছে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এমপি কাজী নাবিল আহমেদ।

সেবাসংঘ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র দুটি। পুরুষ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ২৯৪ জন। এর মধ্যে বেলা ১০টা পর্যন্ত ২৬৩টি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান। আর মহিলা কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪০৪টি ভোটের মধ্যে ১০টা পর্যন্ত ২২৫টি ভোট পড়েছে বলে জানান প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সমিরণ কান্তি দাস।

দুই প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও বাড়ছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

যশোর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৮, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৩ জন।

এ উপজেলায় এবার মোট ২১৯টি ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ৭৫৬ কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। এতে দায়িত্ব পালন করবেন ২১৯ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ১ হাজার ৭৫৬ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও ৩ হাজার ৫১২ জন পোলিং অফিসার।

পরে সংশ্লিষ্টদের কাছে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এমপি কাজী নাবিল আহমেদ

সদর উপজেলায় মোট ভোটার ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৪ হাজার ৭৩০, নারী ৩ লাখ ৩ হাজার ৫২ ও হিজড়া ভোটার ৭ জন।

চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী (আনারস), তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু (মোটরসাইকেল), ফাতেমা আনোয়ার (ঘোড়া), আনোয়ার হোসেন বিপুল (দোয়াত কলম), মোহিত কুমার নাথ (শালিক), শাহারুল ইসলাম (জোড়া ফুল), শফিকুল ইসলাম জুয়েল (কাপ পিরিচ) ও আরিফুল ইসলাম হীরা (হেলিকপ্টার) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অপরদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন সুলতান মাহমুদ বিপুল (টিউবওয়েল), শেখ জাহিদুর রহমান লাবু (বৈদ্যুতিক বাল্ব), শাহাজান কবির শিপলু (চশমা), কামাল খান পর্বত (তালা) ও মনিরুজ্জামান (উড়োজাহাজ)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোৎস্না আরা মিলি (কলস), বাশিনূর নাহার ঝুমুর (ফুটবল) এবং শিল্পী খাতুন (হাঁস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।