• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

দক্ষিণ আফ্রিকা হাসারাঙ্গাদের সামনে ভয়ডরহীন

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

সাম্প্রতিক সময়ের ব্যাটিং পাওয়ার হাউজ দক্ষিণ আফ্রিকা। হাইনরিখ ক্লাসেন, ত্রিস্টান স্টাবস, এইডেন মারক্রামদের কোনওভাবেই বাক্সবন্দী করে রাখা যাচ্ছে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘ডি গ্রুপে’বেসামাল এই ব্যাটিং শক্তির সামনে আজ প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। যাদের আস্থা বৈচিত্র্যময় বোলিং আক্রমণে। নিউ ইয়র্কের মাঠে ম্যাচটা মাঠে গড়াবে রাত সাড়ে ৮টায়।

‘ডি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচ হওয়ায় দুই দলই চাইবে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থানটা সুবিধাজনক জায়গায় রাখতে।

প্রোটিয়া দলটা মোটামুটি ভারসাম্যপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ভয়ানক দলটির ব্যাটিং বিভাগ। অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম, কিপার ব্যাটার হাইনরিখ ক্লাসেন, কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলার এবং ত্রিস্টান স্টাবসরা যে কোনও বোলারের জন্য আতঙ্ক। বিশেষ করে শেষ দিকে ক্লাসেন ও স্টাবসরা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে জানেন। সর্বশেষ আইপিএলে যার ঝলকটা দেখা গেছে। ক্লাসেন হায়দরাবাদের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭১ স্ট্রাইক রেটে ৪৭১ রান করেছেন। দিল্লির হয়ে স্টাবসও ছিলেন সমানভাবে উজ্জ্বল। ১৪ ম্যাচে ৩৭৮ রান করেছেন ১৯০ স্ট্রাইক রেটে।

দুই ব্যাটারই মিডল অর্ডারে এমন সময় ব্যাট করতে আসেন, তখন মাঠে কার্যকর থাকে স্পিন বোলিং। ঠিক এই জায়গাটাই লঙ্কানদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ক্লাসেন বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত ৫৯ গড়ে রান তুলেছেন। স্ট্রাইক রেটও ছিল চোখ ১৯১!

ফলে লঙ্কান স্পিনারদের আজ কঠিন পরীক্ষার সামনে পড়তে হচ্ছে। তার ওপর দুই মূল স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (ইকোনমি ৭.৪২) ও মাহিশ থিকশানা (৬.৭১) সম্প্রতি চোট সারিয়ে ফিরেছেন।

শ্রীলঙ্কা দলের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর নকআউটেই যেতে পারেনি। এই অবস্থায় মিডল অর্ডারে ক্লাসেন ও স্টাবসরা যখন গিয়ার বদলাতে উদ্যত হবেন, লঙ্কান দলের ভরসা হতে পারেন পেসার মাথিশা পাথিরানা ও দিলশান মাধুশাঙ্কা। তাছাড়া শ্রীলঙ্কা প্রেরণা নিতে পারে সাম্প্রতিক সিরিজ থেকেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তিন ম্যাচে প্রোটিয়ারা হোয়াইটওয়াশ হয়েছে।

পাশাপাশি পিচ থেকেও বাড়তি সুবিধা পাওয়ার আশা করতে পারে। যেটা ভারত-বাংলাদেশ প্রস্তুতি ম্যাচেই দেখা গেছে। ড্রপ ইন পিচে বেশ কিছু ডেলিভারি হাঁটু কিংবা গোড়ালির ওপরে উঠতে দেখা যায়নি। বল নিচু হয়ে যাচ্ছে। যেটা লঙ্কানদের বৈচিত্র্যময় বোলিংকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

তাছাড়া আরেকটি জায়গাতেও তারা এগিয়ে। এই বছর যে কয়টি দল বেশি টি-টোয়েন্টি খেলেছে তাদের মধ্যে শ্রীলঙ্কা অন্যতম। তাছাড়া এই বছর ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ জিতেছে। সব মিলে সর্বশেষ ৯ টি-টোয়েন্টির ৬টি তারা জিতেছে। কিন্তু সম্পূর্ণ নতুন দিনে বাড়তি এসব ফ্যাক্টর সেভাবে হয়তো প্রভাব ফেলবে না। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে মাথা তুলে দাঁড়াতে হলে লঙ্কান ব্যাটারদের সেভাবেই চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে হবে।

লঙ্কানদের তুলনায় প্রোটিয়াদের বোলিং বিভাগে সেরকম বৈচিত্র্য নেই। কাগিসো রাবাদা ও বামহাতি রিস্ট স্পিনার তাবরাইজ শামসি নির্ভর দলটির বোলিং বিভাগ। ইনজুরি থেকে ফেরা আইনরিখ নর্কিয়া এখনও সেরা ছন্দ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন। আইপিএলটা সেভাবে ভালোও যায়নি। গড়ে ওভার প্রতি রান দিয়েছেন ১১! তাই প্রোটিয়াদের আরেকটি হতাশার ক্যাম্পেইন এড়াতে তার জ্বলে ওঠার অপেক্ষায় প্রোটিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।