• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩

হিমায়িত মাংস আমদানিতে নীতিমালা হচ্ছে

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪

ব্রাজিলের মাংস রফতানির প্রস্তাবের পর হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। মনে করা হচ্ছে, এই নীতি চূড়ান্ত হলে ব্রাজিল, ভারতসহ অন্য সুবিধাজনক দেশগুলো থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি সহজ হবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেন ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা। ওই বৈঠকে মাউরো বাংলাদেশে হিমায়িত গরুর মাংস বিক্রির প্রস্তাব দেন। বৈঠক থেকে বের হয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ব্রাজিলকে বলেছি, মাংসের বদলে গরু পাঠাতে, সম্ভব হলে সেটি এই কোরবারি ঈদের আগেই পাঠাতে।

ওই বৈঠকের পর গত ৫ মে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ‘হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ নীতিমালা ২০২৩’ চূড়ান্ত করতে একটি কমিটি গঠন করে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে হিমায়িত মাংস আমদানিতে বাধা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে এখন গরুর মাংস বাজারভেদে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ঢাকার ‘খলিল গোস্ত বিতান’ গরুর মাংসের দাম ৮০০ থেকে এক ধাক্কায় ৬০০ টাকায় নামিয়ে এনে সারা দেশে আলোড়ন ফেলে দেয়। সেই খলিল গোস্ত বিতানও এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ টাকায় বিক্রি করছে। সরকার অনেক দিন ধরে গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাজারে নানামুখী সিন্ডিকেটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকেই মনে করেন, সরকার যদি বিদেশ থেকে মাংস আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে দেশে গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে এতে তীব্র আপত্তি রয়েছে খামারিদের। তারা বলছেন, সরকার মাংস আমদানির অনুমতি দিলে খামারিরা পুঁজি হারাবে।

সূত্র বলছে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সদস্যকে (খাদ্যভোগ এবং ভোক্তা অধিকার) আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করেছে। এতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আরও চার কর্মকর্তা রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট জানা গেছে, গত ১০ মে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক টন হিমায়িত মহিষের মাংস আমদানি করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ মাংসের চালানটি ছাড় করেনি। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করে ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। পরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে ডেকে এনে একটি নীতিমালা করার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। এই নীতিমালার খসড়া এরইমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের সদস্য আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই নীতিমালার মাধ্যমে সব ধরনের হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যদি নীতিমালাটি অনুমোদন পায়, তাহলে ব্রাজিলসহ যেকোনও দেশ থেকে মাংস আমদানি করতে এই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে মাংস আমদানি করা নিয়ে হাইকোর্টে একটা রিট হয়েছিল। তার প্রেক্ষিতেই আদালত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে ডেকে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করতে বলেছেন। এরপর তাদের গঠিত কমিটি স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার করে নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত এবং সেটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় আরও কিছু কোয়েরি যুক্ত করে খসড়াটি ফেরত পাঠিয়েছে। কমিটি এখন কয়েকজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে কোয়ারিগুলো ঠিক করবে। এরপর খসড়া নীতিমালাটি  আইন  মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। খসড়াটি চূড়ান্ত হতে সপ্তাহদুয়েক লাগতে পারে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।