• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩

আলোচনায় নাঈম ৩৫ কেজি ওজন বাড়িয়ে

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪

চরিত্রের প্রয়োজনে শরীরকে ভাঙা-গড়ার প্রচলন ঢাকাই শোবিজে খুব একটা দেখা যায় না। সে দিক দিয়ে নতুন নজির তৈরি করলেন অভিনেতা এফএস নাঈম। পুরোদস্তুর ফিট শরীরকে তিনি নিয়ে গেছেন মেদযুক্ত স্থূলতায়! কেবল একটি চরিত্রের জন্য।

মিরাজ নামের সেই পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্র থাকছে মুক্তি প্রতীক্ষিত ওয়েব সিরিজ ‘কালপুরুষ’-এ। যেটার টিজার প্রকাশ হয়েছে ১১ মে, সন্ধ্যায়। সেখানেই দেখা যায়, নাঈমের শরীরে বিস্তর পরিসরে জায়গা করে নিয়েছে মেদ। অথচ তিনিই কিনা ক’বছর আগে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে নিজেকে স্লিমফিট করেছিলেন। সেই শ্রম-স্মৃতি ভুলে কেবল চরিত্রের প্রয়োজনে পুনরায় স্থূলতায় ফিরলেন নাঈম।

বিষয়টি নিয়ে নাঈম বললেন, ‘আসলে চরিত্রটা ধারন করার জন্যই এমনটা করা। অর্থাৎ মিরাজ চরিত্রটা যেভাবে হাঁটে, কথা বলে, ঘুমায়, এসবের কাছাকাছি পৌঁছানোর জন্যই প্রায় ৩৫ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলাম। আর এটাকে শুধু বডি ট্রান্সফরমেশন বললে হবে না; এটা অনেক বড় একটা মনস্তাত্ত্বিক জার্নি ছিল। সেই সাথে প্রায় ৮-৯ মাস এই এক্সট্রা বডি ওয়েট রাখার একটা ডিপ্রেশন ছিল। তারপর শুটিং করা। সবমিলিয়ে জার্নিটা আমার জন্য একটা সাধনা ছিল।’

সিরিজের দৃশ্যে নাঈমনাঈমের সাধনা বিফলে যায়নি মোটেও। দর্শক-সমালোচকরা এরই মধ্যে তার প্রশংসায় মেতে উঠেছে। কেউ কেউ তো তাকে বাংলার ‘আমির খান’ বলেও অভিহিত করছেন।

‘কালপুরুষ’ নির্মাণ করেছেন সালজার রহমান। এর আগে তিনি বেশ কিছু মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপনচিত্র বানিয়েছেন। তবে ওটিটিতে কাজ এই প্রথম। সিরিজটি তার ভাষ্য, ‘সিরিজটি মার্ডার মিস্ট্রি হলেও একদম ভিন্ন রকমের উপস্থাপনা দেখা যাবে। একটা হত্যা রহস্য সমাধান করতে গিয়ে নানা কিছু ঘটতে থাকে মিরাজের (নাঈম) সঙ্গে। সেই ঘটনাগুলো ধরে এগোতে থাকে সিরিজের গল্প।’

প্রকাশিত টিজারে বিশেষ চমক হিসেবে হাজির হয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়া এতে আছেন তানজিকা আমিন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, ইমতিয়াজ বর্ষণ, রেজওয়ান পারভেজসহ অনেকে।

উল্লেখ্য, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফিল্ম সিন্ডিকেট কিছু দিন আগে ঘোষণা দিয়েছে, তারা আগামী তিন বছরে ১০টি সিরিজ বানাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি’র জন্য। সেই প্রকল্পের প্রথম সিরিজ হিসেবে ‘কালপুরুষ’ মুক্তি পাচ্ছে শিগগিরই।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।