• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩

ট্রেনে ১৪ হাজার টিকিট কিনতে ৯৫ লাখ হিট

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন যাত্রীরা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি চালু হয়।

এ সময় আগামী ৫ এপ্রিলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট মাত্র ২ ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই শেষ হয়। এ সময় টিকিট নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে হিট পড়েছে ৯৫ লাখ ১০ হাজারের মতো।

এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার।

সারওয়ার বলেন, ৫ এপ্রিলের পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরুর ২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আর টিকিট নিতে ওয়েবসাইটে ৯৫ লাখ ১০ হাজারের মতো হিট পড়েছে।

তিনি বলেন, আজ ৫ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হয়েছে। এ বছর ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর ৪২ জোড়া ট্রেনের টিকিট দুই পর্যায়ে দেওয়া হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে এই অগ্রিম টিকিট সম্পূর্ণ অনলাইনে বিক্রি হবে। এবার মোবাইলে ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। ঈদযাত্রাকে সুস্থতা রাখার জন্য সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গতবার রেল পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করেছিল। এবার তা বাড়িয়ে সাত দিন করা হয়েছে।

রেলওয়ে বলছে, এবার ঈদে ঢাকা থেকে বহির্গামী আন্তঃনগর ট্রেনে দৈনিক মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি। ঈদ উপলক্ষে ৩ এপ্রিল থেকে সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ডে অফ প্রত্যাহার করা হবে। ঈদ উপলক্ষে ২৪৮টি লোকমোটিভ যাত্রীবাহী ট্রেন ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জানা যায়, পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের জন্য দিনে নির্ধারিত আছে ১৪ হাজার ৭১৫টি টিকিট। যা বিক্রি শুরুর ২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়।

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে আজ ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ। এ ছাড়া ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮ মার্চ, ৮ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৯ মার্চ, ৯ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ৩০ মার্চ। এ ছাড়া যাত্রী সাধারণের অনুরোধে ২৫ শতাংশ টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে। ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হবে। অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল থেকে। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে। ৩ এপ্রিল পাওয়া যাবে ১৩ এপ্রিলের টিকিট। এভাবে পর্যায়ক্রমে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত টিকিট পাওয়া যাবে। সাধারণত যাত্রার ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট শুরু করে রেল।

এদিকে দুপুর ২টায় শুরু হয়েছে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি। পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলে স্পেশালসহ আন্তঃনগর ট্রেনে ঢাকা থেকে বহির্গামী টিকিট সংখ্যা এবার ৩৩ হাজার ৫০০টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।