• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

গাজীপুরের শ্রীপুরে বেতন বাড়ানো ও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টা থেকে উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন জমজম স্পিনিং মিলস লিমিটেড নামের একটি কারখানার শ্রমিকরা।

এতে মহাসড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের তৈরি হয়। দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলে ৮টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, আশপাশের সব কারখানায় বেতন বাড়ানো হয়েছে। তাদের বেতন ৭ হাজার টাকাই রয়ে গেছে। পাশের স্টিকার ম্যান কারখানার বেতন সাড়ে ৯ হাজার, ডাচ বাংলা কারখানায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা বেতন করা হয়েছে। অথচ তাদের বেতন কম দেওয়া হয়। আবার তা সময় মতও দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে কারখানার ম্যানেজার, জিএমের কাছে কথা বলার জন্য শ্রমিকরা গেলেও তারা কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

কারখানার অপারেটর পদে কাজ করেন জুনায়েদ। তিনি বলেন, আমরা নতুন কাঠামোতে বেতনের দাবি জানিয়ে একাধিকবার কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া দিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি।

শ্রমিক আন্দোলনের পরপরই শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ ও মাওনা হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। তারা শ্রমিকদের বুঝিয়ে সাড়ে ৭টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার কিছু সময়ের মধ্যে শ্রমিকরা ফের মহাসড়কে অবরোধ তৈরি করে। পরে সকাল ৮টায় তাদের বুঝিয়ে কারখানার ভেতর নিয়ে গেলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মাওনা হাইওয়ে থানার এসআই ইসমাইল হোসেন বলেন, বেতন বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার আশ্বাসে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে কারখানার ভেতরে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।