• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩

নতুন গান! মৃত্যুর পাঁচ বছর পর

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

বাংলা গানের সুমিষ্ট কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম সুবীর নন্দী। অনিন্দ্য গায়কীতে তিনি মুগ্ধ করেছেন কয়েক দশক। এই সুরের মায়াজাল ছিঁড়ে বছর পাঁচেক আগে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। অথচ তার কণ্ঠেই কিনা আসছে নতুন গান!

বিস্ময়ের কিছু নেই অবশ্য। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) যুগে এটা অসম্ভব কিছু না। তবে সুবীর নন্দীর গান এআই-তে নয়, বরং তিনিই গেয়েছেন। কারণ এ গানের রেকর্ডিং হয়েছে তার জীবদ্দশায়। গানটির শিরোনাম ‘ঘুম’। এটি রচনা করেছেন হালের আলোচিত গীতিকবি সোমেশ্বর অলি। সুর-সংগীতে তানভীর তারেক।

সংগীত পরিচালক জানালেন, তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই সুবীর নন্দীর গান নিয়ে কাজ করছিলেন। কিন্তু সেগুলো প্রকাশের আগেই শিল্পী প্রয়াত হয়েছেন। তবু সময় নিয়ে গানগুলো শ্রোতাদের কান অব্দি হাজির করতে চান তিনি। তানভীর তারেক বললেন, “সুবীর দা আমার সংগীত জীবনের অনেক বড় এক অনুপ্রেরণার নাম। সংগীতের যে কোনও বিষয়ে তিনি আমাকে বরাবরই সাহস জুগিয়েছেন। একদিন এক আড্ডায় আমাকে তিনি বলেন- ‘তানভীর, তোমরা এ সময়ের সুরকার। আমার জন্য কিছু গান বাঁধো। গেয়ে যাই।’ আমার কাছে দাদার এই কথাটি অনেক বড় পুরস্কারের মতো ছিল। এরপরে আমি আমার স্টুডিওতে সুবীর দা’র জন্য নিয়মিত গান তৈরির কাজে লেগে যাই।”

কিছুটা পেছনের স্মৃতি হাতড়ে তানভীর তারেক বলেন, “আমরা দীর্ঘ সময় নিয়ে গানগুলোর কাজ করেছি। দিনের পর দিন সুবীর দা আর আমি আমার স্টুডিও কোলাহলে মাঝরাত অব্দি সময় কাটিয়েছি। অ্যালবামে ঢাকা-কলকাতার মিউজিশিয়ানরা বাজিয়েছেন। এভাবে আমরা ১০ টি গান কমপ্লিট করি। এর মধ্যে একটি গান আমি আমার চ্যানেলে রিলিজ দিয়েছি। এটি দ্বিতীয় গান হতে যাচ্ছে।’

এদিকে ‘ঘুম’ নিয়ে কিঞ্চিৎ বিস্মিত গীতিকবি অলি। তার ভাষ্য, ‘তানভীর ভাইকে অনেক আগে দুটি গান দিয়েছিলাম। তার ভেতরে এই গানটি তিনি কবে কখন সুর করে সুবীর দাকে দিয়ে গাইয়ে রেখেছেন, সত্যিই আমি জানি না। আমি শুনে অবাক। আমার জন্য এটা সারপ্রাইজ ছিল! কিছুটা আবেগ্রাক্রান্ত হয়ে গেলাম। মনে হচ্ছিল এআই দিয়ে দাদাকে আবার ফিরিয়ে আনলাম! তানভীর ভাইয়ের সুরে দাদার নিজস্ব কন্ঠের এই আনরিলিজ ট্র্যাক শ্রোতাদের জন্য বিশেষ উপহার হয়ে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

বাঁ থেকে- সুবীর নন্দী, তানভীর তারেক ও সোমেশ্বর অলি‘সাউন্ডস অব তানভীর’ নামের ইউটিউব চ্যানেল ও স্বাধীন মিউজিক অ্যাপসহ বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শিগগিরই গানটি প্রকাশ হবে। এরপর বাকি আটটি গানও ধারাবাহিকভাবে আসবে বলে জানিয়েছেন তানভীর তারেক।

উল্লেখ্য, একুশে পদক ও পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী সুবীর নন্দীর জন্ম ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর। তিনি বাংলা চলচ্চিত্র ও অডিও গানে অসামান্য অধ্যায়ের অধিপতি। তার গাওয়া কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়’, ‘পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি’, ‘তুমি এমনই জাল পেতেছ’, ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার’, ‘কতো যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘একটা ছিল সোনার কন্যা’, ‘ও আমার উড়াল পঙ্খীরে’ ইত্যাদি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।