• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠন ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি

২ হাজার কেজি জাটকা লঞ্চে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
লঞ্চে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল ২ হাজার কেজি জাটকা
লঞ্চে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল ২ হাজার কেজি জাটকা

যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে দুই হাজার কেজি জাটকা ইলিশসহ তিন জনকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের হরিনাঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ি এ অভিযান চালায়।

পুলিশ জানায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের পূর্ব পাশে মেঘনা নদীতে হরিণাঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা থেকে ঢাকাগামী এমভি ফারহান-৮ নামে লঞ্চ থেকে দুই হাজার কেজি জাটকা জব্দ করা হয়। পরে জব্দ মাছসহ তিন জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- ভোলা জেলার মনপুরা এলাকার মো. ফারুক (৪৭), মো. পারভেজ (২৪) ও মো. রিয়াদ (১৯)।

অতিরিক্ত ডিআইজি ও চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম বলেন, ‘নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চল জাটকা নিধন প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করছে। জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এটি অব্যাহত থাকবে।’

অতিরিক্ত ডিআইজি, চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং চাঁদপুর নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বেলায়েত হোসেন শিকদার জব্দ করা মাছ দরিদ্র মানুষের মাঝে ও এতিমখানায় বিতরণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।