• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

দেশি পেঁয়াজ এখনও ৮০ টাকা

Reporter Name / ১৮২ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হলে বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কমবে, এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। ইতোমধ্যে ভারতীয় কিছু পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। কিন্তু দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামেই। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ এখনও বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। শুধু মানের দোহাই দিয়েই বিক্রেতারা বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাই দেশি পেঁয়াজের দাম কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না এই মুহূর্তে।

একই সঙ্গে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষেরই অভিযোগ রয়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের মান নিয়ে। তারা জানিয়েছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের মান ভালো না থাকায় দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়।

শুক্রবার (২৩ জুন) সরেজমিনে মিরপুর ১ ও ২ নম্বরের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে ও কাঁচাবাজার, পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে ঘুরে দেখা যায় পেঁয়াজ বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি।

মিরপুর ১ নম্বরের পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৫৬ থেকে ৬৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২২ থেকে ৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মিরপুর ১ ও ২ নম্বরের পাড়া-মহল্লার ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৮০ টাকায় এবং ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৩৫ টাকা কেজি দরে। আর মুদি দোকানগুলোয় দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানতে চাইলে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা রুবেল বলেন, দেশি পেঁয়াজের দাম আর কমবে না। আমি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করি ৮০ টাকা করে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করি তিন কেজি ১০০ টাকায়।

মহল্লার দোকান জিদান জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা সনি বলেন, দেশি পেঁয়াজ আমার কেনা পড়ে বেশি, তাই বিক্রিও করি বেশি দামে। আমি বিক্রি করি ৮০ টাকা করে, কারণ কেনা আছে ৭০ টাকায়। এরপর আনতে যে ভাড়া লাগে, সেটাও তো ধরতে হবে। ভারতীয় পেঁয়াজ আমি রাখি না। অনেক নষ্ট বের হয়। আবার ভালো দেখে আনলেও দ্রুত সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমার লস হয়।

সিয়াম বাণিজ্যালয়ের বিক্রেতা শাকিল বলেন, আমার কাছে বিভিন্ন রকমের পেঁয়াজ আছে। সাইজ আর মান ভিন্ন। ভারতীয় পেঁয়াজ আছে, ২২ টাকা থেকে ৩২ টাকা পর্যন্ত। এর মধ্যে মানভেদে দুই-তিন রকমের আছে। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করি ৫৬ থেকে ৬৫ টাকা পর্যন্ত। সাধারণত এলাকার মুদি দোকানগুলোয় বাছাই করা ভালো পেঁয়াজগুলো নেয়। আর যারা ভ্যানে করে বিক্রি করে, তারা আরেকটু কম দামেরগুলো নেয়।

ভারতীয় পেঁয়াজ সম্পর্কে অভিযোগ করে শাকিল বলেন, ভারতীয় সেসব পেঁয়াজ আমরা পাই, সেগুলোর মান ভালো নয়। ওরা আমাদের থার্ড গ্রেডের পেঁয়াজগুলো দেয়। ভালোগুলো দেয় না। আমরা ৫০ কেজির বস্তায় দুই কেজির মতো নষ্ট পেঁয়াজ পাই। আবার নষ্ট পেঁয়াজ বাছাই করাই লোক দিয়ে, তাদেরও টাকা দিতে হয়। এভাবেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী শাহ আলী বাণিজ্যালয়ের বিক্রেতা বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ অনেক নষ্ট বের হয়। তখন ১০ টাকায়ও বিক্রি করি। এমনিতে ভালোগুলো ২৫ টাকায় বিক্রি করি।

কাঁচাবাজারে পেঁয়াজের খুচরা বিক্রেতা মারুফ জানান, তিনি দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, মনে হয় না দেশি পেঁয়াজের দাম আর কমবে। কারণ ভারতীয় পেঁয়াজের মান খারাপ।

বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, দেশি পেঁয়াজের দাম তো বেশিই। কিন্তু কী করার? খেতে তো হবেই। দাম বেশি হলে ভারতীয় পেঁয়াজ কেন কিনছেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজের টেস্ট নেই। তাই কম হলেও দেশি পেঁয়াজই খাই আমরা।

আরেক ক্রেতা বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজগুলো খুব একটা ভালো হয় না। একটু বেছে নিতে হয়, কিন্তু দোকানদাররা আবার বাছতে দিতে চান না। এতে আমাদেরও লস হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।