• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ

চ্যাটজিপিটি কী?

Reporter Name / ২১৩ Time View
Update : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩

সময় যত গড়াচ্ছে, মানুষ তত প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছে। প্রতিনিয়ত এই খাতের উন্নতি ঘটছে। ধারাবাহিকভাবে হচ্ছে বৈপ্লবিক সব আবিষ্কার। যার সম্ভবত সর্বশেষ সংযোজন চ্যাটজিপিটি। এখন যা ‘টক অব দ্য টেক’। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণধর্মী এক প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

চ্যাটজিপিটি কী?
চ্যাটজিপিটি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত কন্টেট ক্রিয়েটর। যার পুরো নাম- ‘জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইনড ট্রান্সফরমার’। ২০২২ সালের নভেম্বরে বিশ্বের প্রথম সারির অন্যতম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাবরেটরি ওপেন এআই এই চ্যাটবট বাজারে আনে।

চ্যাটবট কী? 
চ্যাটবট হলো এক ধরনের সফটওয়্যার, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে গঠিত হয়। এটি একটি বড় ভাষা মডেল। নানা ধরনের তথ্য দিয়ে একে প্রশিক্ষিত করা হয়। একটি ডিভাইসের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মানুষের মতো করে তা যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। মুহূর্তেই ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারে। অর্থাৎ কেউ কোনো প্রশ্ন করলেই তা নিয়ে আদ্যোপান্ত জবাব দিতে পারে সেটি।

সাড়া কেমন? 
গত ৩০ নভেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে উন্মুক্ত হয় চ্যাটজিপিটির ব্যবহার। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই তা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এরই মধ্যে এই চ্যাটবুটে ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।
ওপেন এআই ‘র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিই্ও) স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন, মাত্র ৫ দিনে এই চ্যাটবট প্লাটফর্মে নিবন্ধন করেছেন ১০ লাখ ব্যবহারকারী।

মালিকানা কার হাতে?
ওপেন এআই হলো সান ফ্রান্সিস্কোভিত্তিক একটি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালে সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী স্যাম অল্টম্যান এবং ধনকুবের ইলন মাস্ক এটি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে তা ছিল অলাভজনক সংস্থা। 

প্রথম দিকে এই দুজনের ও অন্যদের বিনিয়োগে চলতো ওপেন এআই। ২০১৮ সালে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ থেকে বিদায় নেন ইলন মাস্ক। পরে বাইরের অর্থ নিতে ২০১৯ সালে মুনাফার দিকে ঝুঁকে সেটি। তবে শোনা যায়, এখনও এতে শেয়ার আছে টেসলার প্রতিষ্ঠাতার। 

কীভাবে কাজ করে চ্যাটজিপিটি?
একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান থাকলে একজন মানুষ তা নিয়ে লিখতে পারেন। ওই সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং আলোচনা চালিয়ে নিতে পারেন তিনি। এই দুই কাজই করতে সক্ষম চ্যাটজিপিটি। অধিকন্তু মানুষের চেয়েও এগিয়ে এটি। কারণ, এই চ্যাটবট যেকোনো বিষয় নিয়ে লিখতে, প্রত্যুত্তর দিতে, কথোপকথন চালাতে, জটিল বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দিতে, বোধগম্য ভাষান্তর করতে পারে।  যেকোনো ভুল ধরিয়ে দিতে, এমনকি মনের মতো না হলে তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে এটি।

বর্তমানে গুগলে মোটামুটি যেকোনো বিষয়ে সমাধান পাওয়া যায়। বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত এই সার্চ ইঞ্জিনের চেয়েও এগিয়ে চ্যাটজিপিটি। এককথায়, জীবনধারণের সব বিষয়ে টেক্সট লিখতে পারবে এটি।

কোন কাজে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যাবে?
বিশ্বের বাস্তবভিত্তিক যেকোনো খাতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যাবে। ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, গ্রাহক পরিষেবার প্রশ্নের উত্তর দেয়া, এমনকি কোড ডিবাগ করতে এটি সহায়তা করবে। হারিয়ে যাওয়া যেকোনো বিষয় খুঁজে নিতে তা সাহায্য করবে। এতে একটি কাজে মানুষের দরকার কম হবে।

এটি কী সমস্যাযুক্ত?
বিশ্বের অন্যান্য আবিষ্কারের মতো চ্যাটজিপিটিরও কিছু সমস্যা আছে। মূলত ভালো বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় এটি। ভুল বা অযৌক্তিক ইস্যুতে সেভাবে উত্তর পাওয়া যায় না। এই সমস্যা সমাধান করা কঠিন বলে মনে করে ওপেনএআই। জাতি, লিঙ্গ ও সংস্কৃতির মতো সামাজিক বিষয়গুলো নিয়ে পক্ষপাতমূলক জবাব দিতে পারে এটি। অধিকন্তু এই প্রযুক্তির ব্যবহারে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়তে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।