• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

রাজশাহী মহানগরীতে ৪২ হাজার ব্যক্তিকে টিকা প্রদান

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

সিটি কর্পোরেশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ,
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ওয়ার্ড পর্যায়ে আবারো করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩০টি ওয়ার্ডের ৮৪টি কেন্দ্রে ৪১ হাজার ১৮জনকে মর্ডানার ১ম ডোজ টিকা প্রদান করা হয়। এদিন মহানগরীতে সর্বমোট ৪২ হাজার ৬৯৫জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, গণটিকাদান ক্যাম্পেইনে ৭ ও ৮ আগস্ট দুইদিনে ৭৮ হাজার ৮৭৩জনকে টিকা প্রদান করা হয়। টিকার মজুদ শেষ হওয়ায় ৯ আগস্ট থেকে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়। নগরবাসীর চাহিদা বিবেচনায় মেয়র মহোদয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে মর্ডানা টিকা প্রদানের অনুরোধ জানান। মেয়র মহোদয়ের অনুরোধে নতুন করে ৬০ হাজার ৪৮০ ডোজ মর্ডানার ১ম ডোজ টিকা আমরা পেয়েছি। এরমধ্যে শনিবার ১ম ও ২য় ডোজ মিলে মোট ৪২ হাজার ৪৪৪ জনকে মর্ডানার টিকা প্রদান করা হয়। আগামী সোমবার ওয়ার্ড পর্যায়ে গণটিকাদান কর্মসূচি চলবে।
১৪ আগস্ট রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডে ৮৪টি কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৩৩১জন পুরুষ ও ২১ হাজার ৬৮৭ জন নারী টিকা নিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে নারী ও পুরুষ মিলে মোট টিকা নিয়েছেন ৪১ হাজার ১৮জন। এরমধ্যে ১নং ওয়ার্ডে ২০৯৬, ২নং ওয়ার্ডে ২২০৬, ৩নং ওয়ার্ডে ১৫৪০, ৪নং ওয়ার্ডে ১৩২৬, ৫নং ওয়ার্ডে ১২১৮, ৬নং ওয়ার্ডে ৯০৭, ৭নং ওয়ার্ডে ৮৬৯, ৮নং ওয়ার্ডে ৩৯২, ৯নং ওয়ার্ডে ৯৩৩, ১০নং ওয়ার্ডে ৫৩৩, ১১নং ওয়ার্ডে ৮৮২, ১২নং ওয়ার্ডে ৭৩৬, ১৩নং ওয়ার্ডে ১২০৪, ১৪নং ওয়ার্ডে ১৮২০, ১৫নং ওয়ার্ডে ১০৪২, ১৬নং ওয়ার্ডে ১৪২৮, ১৭নং ওয়ার্ডে ২৫২০, ১৮নং ওয়ার্ডে ২৪০৮, ১৯নং ওয়ার্ডে ২৮০০, ২০নং ওয়ার্ডে ৫৪৩, ২১ নং ওয়ার্ডে ৭৫৬, ২২নং ওয়ার্ডে ৪২০, ২৩নং ওয়ার্ডে ৫১৯, ২৪নং ওয়ার্ডে ১২০৪, ২৫নং ওয়ার্ডে ১০৯৯, ২৬নং ওয়ার্ডে ২৩৪৮, ২৭নং ওয়ার্ডে ১১৫৮, ২৮নং ওয়ার্ডে ১৯৬৭, ২৯নং ওয়ার্ডে ১৫২৪ ও ৩০নং ওয়ার্ডে ২৬২০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মী ও ৩জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত ছিলেন।
এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (স্থানঃ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ) কেন্দ্রে ১১৬২জনকে, পুলিশ হাসপাতাল কেন্দ্রে ৫৪ ও আইডি হাসপাতাল কেন্দ্রে ২১০জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। মর্ডানার টিকার বাইরে এছাড়া ৯১জনকে সিনোফার্ম ও ১৬০ জনকে কোভিশিল্ড টিকা প্রদান করা হয়েছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে আগ্রহ নিয়ে টিকা গ্রহণ করায় মহানগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে মেয়র বলেন, ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নাগরিকরা রেজিস্ট্রেশন করে নিজ নিজ ওয়ার্ডে টিকা নিবেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহী মহানগরীর সকল নাগরিককে টিকার আওতায় আনা হবে। আশা করছি, আমরা করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবো।
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ৭ আগস্ট ওয়ার্ড পর্যায়ে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ৭ আগস্ট ৩৪ হাজার ৩৮৫জনকে টিকা প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ৩০টি ওয়ার্ডে ৮৪টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ২৫৬জনকে প্রথম ডোজ মর্ডানার টিকা দেওয়া হয়। ৮ আগস্ট ২য় দিন ৪৪ হাজার ৪৮৮জনকে করোনার টিকা প্রদান করা হয়। এরমধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ৮৪টি কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ৬৬৪জনকে প্রথম ডোজ মর্ডানার টিকা প্রদান করা হয়। নগরীতে ৭ ও ৮ আগস্ট দুইদিনে ৭৮ হাজার ৮৭৩জনকে টিকা প্রদান করা হয়। এরপর টিকার মজুদ না থাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নগরীতে আবারো শুরু হয় গণটিকাদান কর্মসূচি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।