• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে মাঠে গড়াচ্ছে প্রিমিয়ার লিগ হকি

Reporter Name / ১৬১ Time View
Update : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

চলতি বছরের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে মাঠে গড়াবে বহুল প্রতীক্ষিত প্রিমিয়ার লিগ হকি। আর এ বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ।

এর আগে ১৯ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দলবদল আর ১২ অক্টোবর ক্লাব কাপ হকি টুর্নামেন্ট শুরু হবে বলেও জানান তিনি। প্রতিটি ক্লাব ৭ জন বিদেশি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করানোর পাশাপাশি বিকেএসপির চারজন খেলোয়াড় নিতে পারবে বলেও নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদ ইউসুফ। সবশেষ ২০১৮ সালে হয়েছিল প্রিমিয়ার লিগ হকি। দীর্ঘ তিন বছর মাঠে নেই খেলোয়াড়দের অন্যতম আয়ের উৎস লিগ। নিয়মিত লিগ না হওয়ায় চরম আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিন পার করছেন হকি খেলোয়াড়রা। করোনার মাঝে ক্রিকেট, ফুটবলের লিগ চললেও দেশের অন্যতম ডিসিপ্লিন হকি পিছিয়ে আছে বেশ খানিকটা। যেখানে লিগ নিয়ে চলতি বছর বেশকটি সভাও করেছিল ফেডারেশন। যদিও সেই সভাগুলো থেকে কোনো আশার কথা শোনাতে পারেনি কর্তারা।

এদিকে, হকির অচলাবস্থা দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এক কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে ফেডারেশন। তারপরও ক্লাবগুলোর সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণে দলবদল আর প্রিমিয়ার লিগের তারিখ নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। হকি ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, অবশেষে সবার অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে মাঠে গড়াবে প্রিমিয়ার লিগ হকি। এদিকে বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল ক্লাব কর্তাদের। তারও অবসান হয় হকির বৈঠকে। প্রতিটি ক্লাব ৭ জন বিদেশি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবে। করোনা নামক বিষবৃক্ষের প্রকোপে গত বছর বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনজুড়ে নেমে আসে কালো মেঘের ছায়া। কঠিন পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও। যেখানে দীর্ঘদিন মাঠে ছিল না হকি। যদিও ২০২০ সালের শুরুতেই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র এশিয়া কাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তবে কোভিড নাইন্টিন মহামারির কারণে পেছানো হয় এ দুটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা।  করোনার আঁধার কেটে হকি অঙ্গন ফিরবে তার চেনা রূপে। এমন প্রত্যাশা সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।