• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ১০২৯৯

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৪১ জন মারা গেছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই সময়ে ৪২ হাজার নমুনা পরীক্ষায় নতুন কভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ২৯৯ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল পর্যন্ত দেশে কভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৯৫ জন। তাদের মধ্যে ২২ হাজার ৬৫২ জন মারা গেছেন। সরকারি হিসেবে গতকাল সেরে উঠেছেন ১৬ হাজার ৬২৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১২ লাখ পাঁচ হাজার ৪৪৭ জন। দেশে এ মুহূর্তে সক্রিয় কভিড-১৯  রোগীর সংখ্যা এক লাখ ২৫ হাজার ৫৯৬ জন।

নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় জুলাই মাসজুড়ে দৈনিক শনাক্তের হার প্রায় ৩০ শতাংশ ছিল। কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় এই হার কমে রোববার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫২ শতাংশে। গতকাল শুধু ঢাকা বিভাগেই চার হাজার ৫৭৬ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা মোট শনাক্তের প্রায় অর্ধেক। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৫ জন মারা গেছে এ বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৯ জন এবং খুলনা বিভাগে মারা গেছে ৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ৪২ হাজার তিনটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৪১০টি। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত মৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬৭ শতাংশে।

গতকাল ঢাকা জেলায় দেশের সর্বোচ্চ তিন হাজার ৩৫৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের গাজীপুরে ১৩১, কিশোরগঞ্জে ১৩১, মানিকগঞ্জে ১৫৩, নারায়ণগঞ্জে ১৭৭, নরসিংদীতে ১৪১, রাজবাড়ীতে ১৪৪ এবং টাঙ্গাইলে ১০৪ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৯৩০, কক্সবাজারে ১৭৫, ফেনীতে ১৪১, নোয়াখালীতে ১৮৮, লক্ষ্মীপুরে ১৩০, চাঁদপুরে ১৩০, কুমিল্লায় ৩৪৬ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩৯ জন কভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহী জেলায় ১৯৭, সিরাজগঞ্জে ১২২ এবং বগুড়ায় ১৭৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য জেলাগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে ২২৪ জন, রংপুরে ২৮০, খুলনায় ১৩০, কুষ্টিয়ায় ১১৪, বরিশালে ১৭৭, সিলেটে ২৯০ এবং মৌলভীবাজারে ১৮৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে গতকাল মারা যাওয়া ১০৫ জনের মধ্যে ৫০ জনই ছিলেন ঢাকা জেলার। চট্টগ্রাম বিভাগে মৃত ৫৯ জনের মধ্যে ১৫ জন চট্টগ্রাম জেলার, ১১ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এবং ১০ জন কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা ছিলেন।

এ ছাড়া গতকাল খুলনা বিভাগে ৩০, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে ১২ জন করে, সিলেট বিভাগে ৭ জন, রংপুর বিভাগে ১০ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন মারা গেছে।

মৃত ২৪১ জনের মধ্যে ১৩১ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি, ৫৪ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ২৮ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ১৭ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ৯ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং একজনের বয়স ১০ বছরের কম।

মৃতদের মধ্যে ১২৮ জন পুরুষ ও ১১৩ জন নারী। ১৮৮ জন সরকারি হাসপাতালে, ৪৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং ৩ জন বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।