• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

করোনায় আক্রান্ত ইসির ২১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

গণটিকাদান কর্মসূচিতে নতুন ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে চাপ বেড়েছে সারা দেশের নির্বাচনী কার্যালয়গুলোতে।  নতুন ভোটারদের সংস্পর্শে এসে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ২১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।  ইসি সচিবালয় বলছে, সারাদেশে টিকা কার্যক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বাধ্যতামূলক ব্যবহারে থানা নির্বাচন অফিসগুলোতে নতুন ভোটারের চাপ বাড়ছে। সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলকালেও নতুন ভোটারের কার্যক্রম চালু রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আর এই কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে ইসি কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১২৯ জন সুস্থ হলেও বাকিরা এখনও চিকিৎসাধীন।  করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ইসির ৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এদিকে ইসির হিসেবে প্রতিদিন নতুন ভোটারের জন্য দুই হাজারের মতো অনলাইনে আবেদন জমা পড়ছে। এই আবেদন করার পরেই একজন ব্যক্তি সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানা অফিসে গিয়ে ছবি, আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়ে এনআইডি নম্বর পাচ্ছেন। পাশাপাশি ভোটারের ঠিকানা পরিবর্তন ও এনআইডির তথ্য সংশোধনের কাজও চলছে।  ইসি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে এনআইডি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ইসির এনআইডি উইংয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী গত ২ মার্চ সারাদেশে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় চলা লকডাউনের মধ্যেই ৩ মার্চ থেকে নতুন ভোটার তালিকাভুক্তির কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত তিন লাখ ২১ হাজার মানুষ ভোটার হতে আবেদন করেন। এ সময়ে ছবি তোলা, আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া ও ফিঙ্গার ম্যাচিং কার্যক্রম শেষ করে ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হয়েছেন এক লাখ ৪১ হাজার ৪ জন। ভোটার হওয়ার শর্ত হিসাবে তারা সবাই ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার প্যাডে দশ আঙ্গুলের ছাপ দিয়েছেন ও আইরিশ স্ক্যানারে তাদের চোখ রেখেছেন।

এক্ষেত্রে নির্বাচন কর্মকর্তা, অফিস সহকারী ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের সঙ্গে নতুন ভোটারদের সংস্পর্শে এসেছেন। ইসি সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, রোববার দুপুরে মারা গেছেন তাজুল ইসলাম নামের এক অফিস সহকারী। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।  এর আগে গত ৩ আগষ্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান নির্বাচন কর্মকর্তা এবিএম সাইফুজ্জামান। তিনি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন।  এ ছাড়াও করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন ও কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. এনামুল হক, নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইবুর ও ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের অফিস সহায়ক মো. বাবলুর করিম, মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা আলিফ লায়লা, চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ার সাবেক অফিস সহায়ক শহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘টিকা কার্যক্রম শুরুর পর থেকে নতুন ভোটার হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। ভোটার হতে আগ্রহী এসব ব্যক্তিরা যখন নির্বাচন অফিসগুলোতে ছবি তোলাসহ অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে আসছেন তখন সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা-কর্মচারীরা তাদের সংস্পর্শে চলে এসেছেন। এক্ষেত্রে ইচ্ছা থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি সবসময় মানা সম্ভব হয়নি।’ জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির চ্যালেঞ্জ নিয়েই তারা এনআইডি সেবা দিতে জনগণের পাশে রয়েছেন। যারা নতুন ভোটার হতে আসছেন তারা কোভিড-১৯ পজিটিভ কিনা তা কেউই নিশ্চিত নয়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।