• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

দড়ি লাফিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখালেন রাসেল

Reporter Name / ১৬২ Time View
Update : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

দড়ি লাফিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখালেন ঠাকুরগাঁওয়ের তরুণ রাসেল ইসলাম। জেলা সদরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই ছেলেটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন।

জানা গেছে, দড়ি লাফের ওপর দুটি বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ২০১৯ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করেন রাসেল। তার একটি ছিল, ৩০ সেকেন্ডে এক পায়ে কতবার লাফাতে পারেন তিনি। অন্যটি ছিল এক মিনিটের। দুটিতেই নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন রাসেল। এর আগে এক পায়ে ৩০ সেকেন্ডে ১৪৪ বার লাফানোর রেকর্ড ছিল। রাসেল লাফিয়েছেন ১৪৫ বার। আর এক মিনিটে এক পায়ে ২৫৮ বার লাফিয়ে আগের ২৫৬ বার লাফানোর বিশ্বরেকর্ডটিও ভেঙে দেন তিনি। গত ২৯ জুলাই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদপত্র হাতে পেয়েছেন রাসেল। রাসেল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের হরিহরপুর গ্রামের সিরজাপাড়া গ্রামের দিনমজুর বজলুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করছেন। ২০১৮ সালে মথুরাপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে প্রতিযেগিতায় উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও উপ-অঞ্চল পর্যায়ে সেরা হয়েছিলেন রাসেল। স্থানীয়রা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার ছেলেটি বিশ্বরেকর্ড গড়বে- এমনটি তারা স্বপ্নেও ভাবেননি। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা বেশি পছন্দ রাসেলের। সময় পেলেই দড়ি নিয়ে লাফালাফি করতেন। এ জন্য গালমন্দ শুনতে হয়েছে তাকে। তবে ছেলের ইচ্ছার বিরোধিতা করেননি বাবা। সহযোগিতা করেছেন তিনি।

রহিমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান হান্নু বলেন, রাসেল শুধু রহিমানপুর আর ঠাকুরগাঁওয়ের গর্ব নয়, সে এখন দেশের গর্ব। অন্য জেলা থেকেও লোকজন রাসেলকে দেখতে যাচ্ছেন। ছেলেটি গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে বিশ্বদরবারে। এ বিষয়ে রাসেল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টারনেটে দড়ি লাফের ওপর ভিডিও দেখতাম, বিশরেকর্ডে নজরে রাখতাম। স্বপ্ন দেখতাম সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার। নিজেকে প্রস্তুত করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করি। তিন মাস পরে কিছু গাইডলাইনসহ একটি রিপ্লাই দেওয়া হয়। তারা তাদের নিয়মমতো কিছু ভিডিও চান। মনোযোগ দিয়ে সেই কাজগুলো করে তাদের পঠিয়ে দেই। এই স্বীকৃতির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমার আরও অন্য বিষয়ে রেকর্ড ভাঙার ইচ্ছা রয়েছে।’ রাসেলের বাবা বজলুর রহমান বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে রাসেল আরও ভালো কিছু করতে পারবে। জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাসেলকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তাকে সরকারি সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হবে যেন সে আরও ভালো কিছু আমাদের উপহার দিতে পারে।রাসেলের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।