• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

দেশের মাটিতে পা রাখলেন সানা-দিয়া

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

জহির রায়হানের হারের মধ্য দিয়ে টোকিও অলিম্পিকে বাংলাদেশের যাত্রা শেষ হয়েছে। তার হারের দিনই (০১ আগস্ট) দেশে ফিরেছেন দুই আর্চার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী, সঙ্গে ছিলেন কোচ ফ্রেডরিক মার্টিন ও অলিম্পিকে বাংলাদেশ আর্চারি দলের টিম লিডার ও ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল।

টোকিও অলিম্পিকে আশার পারদ খুব বেশি না থাকলেও দুই আর্চার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকীকে নিয়ে ভালই স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। কেউই আর প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। শূন্য হাতেই বিদায় নিতে হলো তাদের। একই পরিণতি বাংলাদেশের অন্য চার অ্যাথলিটের।  রোমান সানা সবচেয়ে বেশি স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। পুরুষদের আর্চারির ব্যক্তিগত ইভেন্টের শেষ ষোলোতেও উঠেন তিনি। শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিতে রোমান ৭-৩ সেটের বড় ব্যবধানে হারান গ্রেট ব্রিটেনের টম হলকে। শেষ ষোলোয় কপাল পুড়ে বাংলাদেশী আর্চারের, কানাডার ক্রিসপিন ডুয়েনাসের কাছে মাত্র ২ পয়েন্টের কারণে হেরে যান তিনি। দিয়া সিদ্দিকী অবশ্য ব্যক্তিগত ইভেন্টে শেষ বত্রিশের বাধাই পেরোতে পারেননি, এক পয়েন্টের ব্যবধানে হারেন দক্ষিণ কোরিয়ার কারিনার সাথে। আর রোমানের সঙ্গে জুটি বেধে মিশ্র ইভেন্টের র্যাং কিং রাউন্ডে হারেন দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে।  অলিম্পিকে রোমান-দিয়া খুব ভেশি আলো ছড়াতে না পারলেও অনেকেই তাদের এ পারফরম্যান্সেই বেজায় খুশি। এই দলের ক্রীড়াপ্রেমীরা যুক্তি দেখাচ্ছেন, সানা-দিয়া দুজনেই এখনও অল্প বয়সী। অদূর ভবিষ্যতে যে তারা বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে না তার নিশ্চয়তা কে দিতে পারে! সানা অবশ্য নিজের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। পদক জেতার জন্য তিনি টার্গেট করেছেন ২০২৮ অলিম্পিককে। এ জন্য শুধু রোমানের প্রচেষ্ঠাই যথেষ্ট না, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিতে হবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকেও। রোমান নিজ যোগ্যতার মাধ্যমে অলিম্পিকে সরাসরি টিকেট নিশ্চিত করেছিলেন। টুর্নামেন্টে পদক জিততে না পারলেও নিজেকে প্রমাণ করে এসেছেন এই আর্চার। ১৭ বছর বয়সী দিয়া অবশ্য খেলেছেন ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে। এই দুই আর্চারের সামনেই এখনও এক জীবন আছে, অনেক কিছুই করার সুযোগ পাবেন তারা। বাংলাদেশিদের মধ্য এবারের আসর থেকে সবার আগে বিদায় নেন শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকী। বাছাইপর্বে হেরে যাওয়ায় তিনি সবার আগে দেশেও চলে আসেন। সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্স দল আসবে ৩ আগস্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।