• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

লাখ মানুষ কক্সবাজারে পানিবন্দি

Reporter Name / ১৭৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসলেই প্লাবিত হয় কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে ক্ষতির মুখে পড়ে লাখ লাখ মানুষ। এই সংকট থেকে উত্তরণে তারা ত্রাণ নয়, চান স্থায়ী টেকসই বাঁধ। জনপ্রতিনিধিরাও বলছেন, নদী ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দরকার। আর বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

বাঁকখালী নদীর দু’পাশে বসবাস করছে লাখ লাখ মানুষ। গেল কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদীর বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদীর প্রবল স্রোতে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। ঘর-বাড়ি, মৎস্য ঘের ও ক্ষেত-খামার সবই পানির তলে। আর পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার স্থানীয়রা। পানিবন্দি মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা পানিতে আটকে আছি, আমাদের দেখার কেউ নেই। ঘর থেকে বের হতে পরছি না, খাবার দাবারও ঘরে নেই। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি প্লাবিত এলাকার মানুষের। তারা দাবি জানিয়ে বলেন, প্রতিবছর প্লাবিত হয়ে যাচ্ছে। এখানে বেড়িবাঁধ করা হলে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যাবে। তখন আর বন্যায় প্লাবিত হবে না। জনপ্রতিনিধিরাও চান দুই বছর পরপর নদীতে ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি স্থায়ী টেকসহ বাঁধ নির্মাণের। কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, প্রতি দুই বছর অন্তর অন্তর যদি নদী ড্রেজিং করা হয়, তাহলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। এখানে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রতিবছর পানিবন্দি হয়ে থাকে। স্থায়ী বেড়িবাঁধ করা হলেও এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। অবশ্য স্থানীয় সংসদ সদস্য বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল জানান, বেড়িবাঁধের দাবি আবার সামনে চলে এসেছে। ইনশাল্লাহ আমরা বেড়িবাঁধ করে ফেলব। গেল কয়েকদিনে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার ৪ শতাধিক গ্রামের প্রায় ৫৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি। আর পাহাড় ধস ও ঢলে ভেসে মারা গেছে ৬ রোহিঙ্গাসহ ২০ জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।