মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে বিদ্যুত সংযোগ কাজ করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মোহাম্মদ সেলিম বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার গোলাম রহমানের ছেলে। নিহতের বড় ভাইয়ের মেয়ে খালেদা আক্তার বলেন, রাতে বৃষ্টির কারণে বাড়িতে সারা দিন বিদ্যুৎসংযোগ ছিল না। সন্ধ্যায় আমার চাচা কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে দেখেন তার পাশের বাড়িতে বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু চাচার বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। পরে তিনি দুজন ইলেকট্রিশিয়ানকে বিষয়টি দেখার জন্য ডেকে আনেন। মেকানিকরা মিটার চেক করতে বললে, চাচা প্লাস দিয়ে মিটার সংযুক্ত তার টান দিতেই বৃষ্টি ভেজা তার থেকে স্পর্শ হয়ে মুহূর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে গুনাগরি মা-শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বৈলছড়ি কেবি বাজার সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার বিক্রম কিশোর দত্ত বলেন, মোহাম্মদ সেলিম বৈলছড়ি সোনালি ব্যাংক শাখার অস্থায়ী খণ্ডকালীন কর্মচারি ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ব্যাংকে চাকরি করেছেন। প্রতিদিনের মতো তিনি মঙ্গলবারেও অফিস করছিলেন। শুনেছি অসতর্কতা বসতে বিদ্যুৎস্পর্শে তার মৃত্যু হয়েছে। রামদাশ মুন্সীরহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) রাকিব্বুল ইসলাম বলেন, অসতর্কতাবশত সেলিম বৈদ্যুতিক মিটারের সঙ্গে সংযুক্ত তার প্লাস দিয়ে টান দেয়। বৃষ্টির কারণে তার ভেজা ছিল। ভেজা তারে প্লাস দিয়ে টানতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করা হয়েছে। এই নিয়ে বাঁশখালী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান ওই এসআই।