• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

নিখোঁজ হয়ছিল ঈদের আগে , লাশ পাওয়া গেল আজ

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১

নবম শ্রেণির ছাত্র ফেরদৌস জামান (১৭) ঈদের আগে গত সোমবার তুরাগ নদে সমবয়সী ১০ জনের সামনে থেকে নিখোঁজ হয়েছিল। সেদিন তুরাগ নদে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরিরা তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। চারদিন পর আজ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের পাগলা এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায় বুড়িগঙ্গা নদীতে। নৌপুলিশের পাগলা ফাঁড়ির সদস্যরা তার লাশ উদ্ধার করেছে বলে ফেরদৌসের স্বজনরা  জানিয়েছে।

এ ঘটনায় ফেরদৌস জামানের ভাই আল-আমিন গত ২২ জুলাই সাভার (নৌপুলিশ) থানায় একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই মামলায় ফেরদৌসের পূর্ব পরিচিত ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলো ইকরামুল ইসলাম (১৭), আবরার মাহির রাজিদ (১৭), শেখ সাহাদ হাসান (১৬), আল ফুয়াদ হাসান রিফাত (১৬), ফাহিল রহমান (১৭), মেহেদী হাসান মুন্না (১৬), আমির হামজা (১৬), আতিকুল ইসলাম আশিক (১৭), প্রদীপ কুমার মন্ডল (১৮) মোহাইমিনুল ইসলাম আবির (১৭) ও ইমতিয়াজ হাসান স্বপ্নীল (১৫)। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি ইকরামুল ইসলাম ফেরদৌস জামানকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। বিকাল ৩টার দিকে ইকরামুল ইসলাম মোবাইল ফোনে ফেরদৌসের ভাই হাসিবকে জানায়, আমরা গাবতলী গরুর হাটে এসেছিলাম। গরুর হাটের পাশে তুরাগ নদীতে (কয়লাঘাট) ফেরদৌস লাফ দিয়ে পড়ে যায় এবং তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এর পর ফেরদৌসের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান আসামি ইকরামুলের সঙ্গে অন্য ১০ আসামি রয়েছে।  পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে ফেরদৌসের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ফেরদৌস সাঁতার জানে না বলা সত্বেও জোর করে আসামিরা তাকে নদীতে নামতে বাধ্য করে। আসামিরা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে প্রচার করে, ফেরদৌস বালিভর্তি ট্রলার থেকে লাফ দিয়েছে এবং আর উঠে আসেনি। কিন্তু আসামি ইমতিয়াজ হাসান স্বপ্নীল এর মোবাইল থেকে বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়। সেখানে কোথাও দেখা যায়নি ফেরদৌস ট্রালার থেকে লাফ দিয়েছে। একটি ভিডিও ফুটেজের কিছু অংশে ফেরদৌসকে জুম করে দেখানো হচ্ছিল। যা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত। যা আসামিরা সুকৌশলে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া আসামি আবরার মাহির রাজিদ আগে একবার ফেরদৌসের গলায় চুরি চালায়। ফেরদৌস প্রতিরোধ করার জন্য হাত ব্যবহার করলে হাতের তালুতে জখম হয় এবং জখমের দাগ এখনো দৃশ্যমান। এ ছাড়া আসামি দ্বীপ কাগজপত্র ছাড়া একটি পুরনো মোটরসাইকেল বিক্রি করতে চেয়েছিল। ফেরদৌস মোটর সাইকেল কিনতে না চাইলে তাদের মাঝে বিরোধ শুরু হয়। এর জের ধরেই দ্বীপ তার ছোট ভাই ইমতিয়াজ হাসান স্বপ্নীল এর বন্ধু আবরার মাহির রাজিদকে দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরিকাঘাত করিয়েছিল। কিন্তু সেই বার ব্যর্থ হয়ে তারা নতুন করে হত্যার পরিকল্পনা শুরু করে। যারা ফলশ্রুতিতেই তারা হত্যাকাণ্ড ঘটায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।