• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

দ্বিতীয়বারের মতো তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে

Reporter Name / ১৮৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

তিস্তা নদীর পানি এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে । এবছর বর্ষা মৌসুমে দু’দফায় বিপর্যয়ের মুখে তিস্তাপাড়ের মানুষ। পরিত্রাণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নই একমাত্র পথ বলে মনে করেন তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা।

বৃহষ্পতিবার (১৫ জুলাই) বিকেল থেকে আবারও ঢল নেমেছে তিস্তায়। তীব্র স্রোতের গর্জনে আতঙ্কিত ব্যারেজ আর আশপাশের এলাকা। আন্তঃসীমান্ত এই নদী বাংলাদেশের জিরো পয়েন্ট থেকে ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে মিলিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদে। আর নাব্যতা না থাকায় এর দু’ধারে বিস্তৃতি ঘটিয়েছে প্রায় পৌনে দুশ বর্গ কিলোমিটার এলাকায়। খরা মৌসুমে পানি না পেলেও বর্ষায় বাড়তি পানির চাপে দু’পাড়ের মানুষের জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আগেই ডুবে যায় পুরো এলাকা। চরম ক্ষতির মুখে পড়ে এলাকার ঘরবাড়ি, খেত খামার, গবাদিপশুসহ সব কিছু। তিস্তা পাড়ের মানুষেরা বলছেন, খরার সময় তো ভারত পানি দেয়ই না। আর এখন বর্ষার সময় পানি ছেড়ে দিছে, বন্যায় সব ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বলেন, বর্ষায় এমন বন্যায় ক্ষেত-খামার তলিয়ে যাচ্ছে। ঘরবাড়িতে পানি উঠছে। অনেককে ঘরবাড়ি ছেড়ে উচু রাস্তায় বা বাঁধে থাকতে হচ্ছে। নীলফামারী ডালিয়া উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, যখন বন্যার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন আমার স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিদের জানায়। বিশেষ প্রয়োজনে ক্ষয়ক্ষতি যাতে না হয় সেজন্য আমার মাইকিং করে সাধারণ জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলি। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নই একমাত্র পথ- মনে করেন তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের সংগঠক। তিস্তা বাঁচাও-নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী, দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি আমরা এই মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে না পারি, তাহলে এই অঞ্চলের মানুষের দুর্গতির কোনো সীমা থাকবে না। এক সময়ের এক থেকে দুই কিলোমিটার প্রশস্ত ছিলো তিস্তা। গত কয়েক দশকে বিস্তৃতি ঘটেছে ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার পর্যন্ত। প্রতি বছর ঢলের সঙ্গে বয়ে আসে লাখ লাখ টন পলি। এই পলি অপসারণের কোন উদ্যোগ কখনই নেয়া হয়নি। ফলে তলদেশ উঁচু হয়ে নাব্যতা হারিয়েছে তিস্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।