• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে মহানন্দার পানি, আতঙ্কে কয়েকশ পরিবার

Reporter Name / ১৮৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
chapai
chapai

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে মহানন্দার পানি, আতঙ্কে কয়েকশ পরিবার  ।  টানা বৃষ্টিতে পানি বেড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা নদীতে। এতে দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। হুমকির মুখে পড়েছে সদর উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। এদিকে ভাঙনে আতঙ্কে রয়েছে ওই এলাকার কয়েকশ পরিবার।

স্থানীয়রা জানান, গ্রাম থেকে কয়েক মিটার দূরেই ভাঙনের তাণ্ডবলীলা দেখাচ্ছে মহানন্দা। গত কয়েকদিন বৃষ্টিতে নদী ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। এছাড়া গত বছর নদীভাঙনে তলিয়ে যায় এলাকার অনেক আবাদি জমি। দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা না নিলে এবারও অনেক জমি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। আবাদি জমির পর ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন নদী পাড়ের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন আক্তার বলেন, গত বছর নদীভাঙনে আমার এক বিঘা আবাদি জমি নদীতে তলিয়ে গেছে। এবার যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙনরোধে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আরও জমি নদীতে হারিয়ে যাবে।

ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা নুর মহাম্মদ জানান, এ বছর বন্যায় সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে আছে দিলজান হাজীর টোলা, বাসেদ মণ্ডলের টোলা ও সামশুদ্দিন মণ্ডলের টোলার বাসিন্দারা।

জমসেদ আলী নামের এক বাসিন্দা জানান, বর্তমানে দেবিনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ ইউনিয়নের ধুলাউড়ি হাট, দেবীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, দাখিল মাদরাসা, দেবীনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীনগর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, দিয়াড় মহাবিদ্যালয়, ইসলামিয়া মাদরাসাসহ অনেক স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বকুল হোসেন বলেন, নদীভাঙনের কথা চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।