• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন

১২ শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহীর বাঘার তেঁতুলিয়া-পিরগাছা ভোকেশনাল বিএম কলেজে ১২ জন শিক্ষকের বিপরীতে মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু সেই ৩ জন পরীক্ষার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এ নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তেঁতুলিয়া-পিরগাছা ভোকেশনাল বিএম কলেজের জেনারেল শাখা থেকে মাত্র ৩ জন এবং কারিগরি বা বিএম শাখা থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে কারিগরি শাখা থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী পাস করলেও জেনারেল শাখার তিনজন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন। কলেজ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ দুই দশকে জেনারেল শাখায় এমন বিপর্যয় আর কখনও ঘটেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে। কলেজটিতে জেনারেল ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ৪টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে শুধু জেনারেল শাখার মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ মিলে মোট শিক্ষক ১২ জন। কিন্তু দুঃখজনক, দীর্ঘ সময়েও এই ১২ জন শিক্ষকের কেউই এমপিওভুক্ত হতে পারেননি এবং তারা নিয়মিত কোনো সরকারি বা বেসরকারি বেতন-ভাতা পান না। বিনা বেতনেই তারা পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার দাবি করে আসছেন।

ফল বিপর্যয় বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক সদর বলেন, ‘কলেজ প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথম জেনারেল শাখায় পাসের হার শূন্য হলো। এর প্রধান কারণ হলো শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো নিয়মিত ক্লাসে আসে না। শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হলেও শিক্ষার্থীদের অনীহার কারণে এই ফল হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।