• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে আজ (৫ আগস্ট ২০২৬) বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা।

সকাল ৯:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাজা চত্বরে চিত্রাঙ্কন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত হয় কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ইমেইলে রচনা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ধরা হয় ৬ আগস্ট ।

আলোচনাপর্ব শুরু হয় সকাল ১১টায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভায় শুরুতে জাতীয়সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাকিব আনজুমসহ সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাদের  আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আবু জাফর মো. সাদি। সভায় উপস্থিত বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণ সমাজকে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল খালেদ বিন ইউসুফ (অব.), বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, এবং শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।