• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাটাখালী এবং চন্দ্রিমা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মহানগরীর কাটাখালী থানা পুলিশ চককাপাশিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার পাসুন্দিয়া গ্রামের মৃত জার্মান আলীর ছেলে মো: টনি (২০) এবং একই জেলার তানোর থানার দূর্গাপুর গ্রামের মো: আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: রাসেল মন্ডল (২৮)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় টনির হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অপর আসামি রাসেল মণ্ডল টনিকে ইয়াবা বিক্রয়ের কাজে সহযোগিতা করছিলেন।

অপরদিকে গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ কেচুয়াতৈল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই থানার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের মো: আমান উল্লাহর ছেলে মো: নুর ইসলাম (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ মেহেরচন্ডী উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মো: ফরিদ আলী (২৬) এবং কাটাখালী থানার শ্যামপুর চর গ্রামের আব্দুল হাদির ছেলে মো: রফিকুল ইসলাম রকি (১৯)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় ফরিদের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং অপর আসামি রকি ট্যাপেন্টাডল বিক্রয়ের কাজে সহযোগিতা করছিলেন।

তাছাড়াও একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ মেহেরচন্ডী পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো: শফিকুল ইসলাম (৪৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।