
আরও একবার সুপার সাব মিকেল মেরিনোর গোলে স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়েছে। বদলী বেঞ্চ থেকে উঠে এসে ৮৮ মিনিটে মেরিনো জয়সূচক গোলটি করেন। তার এই গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে স্পেন শেষ চারের টিকিট কেটেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।
এটি ছিল আর্সেনাল মিডফিল্ডারের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে করা শেষ মুহূর্তের জয়সূচক গোল।
এর আগে সোমবার পর্তুগালের বিপক্ষেও যোগ করা সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ গোলটি করেছিলেন।
আগামী মঙ্গলবার ডালাসে ব্লক বাস্টার সেমিফাইনালে টুর্নামেন্ট ফেবারিট ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
স্পেনের এই জয়ে হৃদয় ভেঙ্গেছে বেলজিয়ামের। বদলী গোলরক্ষক সেনে লামেন্স শেষ মুহূর্তে পাও কুবার্সির শট রুখে দিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরতি শটে মেরিনোর শট আর আটকাতে পারেননি। এর আগে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। বিরতির ঠিক আগে বেলজিয়ামকে সমতায় ফেরান চার্লস ডি কেটেলার।
মূল একাদশে কাল বেলজিয়ামের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন অভিজ্ঞ কেভিন ডি ব্রুইনা ও জেরমি ডোকু।
অনুশীলনে অধিনায়ক ইউরি টিয়েলেমান্স হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গেলে কাল দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ডি ব্রুইনা। আগেই পেশীর ইনজুরির কারনে দল থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন আমাডু ওনানা। যে কারনে রেড ডেভিলসদের বাধ্য হয়েই দ্বিতীয় পছন্দের মিডফিল্ড নিয়ে মাঠে নামতে হয়। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে তারকা সমৃদ্ধ স্প্যানিশ আক্রমনভাগ।
পেড্রির পরিবর্তে মাঠে নামা রুইজ মধ্যমাঠে রড্রির সাথে সমন্বয় করে বলের পজিশন নিয়েছেন। বার্সেলোনার টিন সেনসেশন লামিন ইয়ামালের শট অল্পের জন্য পোস্টে বাইরে দিয়ে চলে যায়। বিপরীতে বেলজিয়ান উইঙ্গার ডোকু শুরু থেকেই ছিলেন আক্রমনাত্মক। বাম দিক থেকে তার বাড়ানো একটি বল ডি কেটেলারের কাজে লাগাতে পারেননি। আক্রমনের দিক থেকে বেলজিয়াম এগিয়ে থাকলেও লিড পায় স্পেন। ৩০ মিনিটে পেড্রো পোরোর কাট-ব্যাকে বল পেয়ে যান ডানি ওলমো। তার শট থিকো কোর্তোয়া রুখে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে জড়ান রুইজ।