• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হারল নেদারল্যান্ডস

Reporter Name / ৬৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ পেনাল্টি শুট আউটে নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মরক্কো। মন্টিয়ারিতে নাটকীয় ম্যাচটি নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ গোলে অমীমাংসিত ছিল।
গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ক্রিসেনসিও সামারভিলের গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি রুখে দিয়ে মরক্কোকে জয় উপহার দিয়েছেন। এরপর স্ট্রাইকার ইসমায়েল সাইবারি স্পট কিক থেকে জয়সূচক গোলটি করলে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় মরক্কোর।

এই জয়ে আগামী শনিবার হিউস্টোনে শেষ ষোলোতে সহ-আয়োজক কানাডার মুখোমুখি হবে মরক্কো।

স্টপেজ টাইমের প্রথম মিনিটে ইসা ডিওপের গোলে নাটকীয় ভাবে সমতায় ফিরে মরক্কো। তার আগ পর্যন্ত নেদারল্যান্ডস জয়ের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কোডি গাকপোর গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। কিন্তু ইনজুরি টাইমে চেমসডাইন তালবির ক্রসে ফাঁকায় দাঁড়ানো ডিওপের হেডে মরক্কো ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায়।

কাউন্টার এ্যাটাকে কাল মরক্কো বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল। পুরো ম্যাচে অবশ্য শারীরিক লড়াইয়ে বেশ কয়েকবার উভয় দলের খেলোয়াড়কে মেতে উঠতে দেখা গেছে। যে কারণে ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইল্টন সামপাইওকে বেশ ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে।

২০ মিনিটে এ্যাটলাস লায়ন্সরা লিড প্রায় নিয়েই ফেলেছিল। আশরাফর হাকিমির কর্নার থেকে নেইল আল-আয়নায়ির কোনোমতে রক্ষা নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রাগেন। পরের মিনিটেই হাকিমির শট কর্নারের মাধ্যমে রক্ষা করেন ভারব্রাগেন। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ইয়ান ফল ফন হেকেকে মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করা সত্ত্বেও সাইবারি লাল কার্ডের ঝুঁকি থেকে ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান। ডাচ আক্রমণভাগ একের পর এক আক্রমণ করলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। ৪৪ মিনিটে টটেনহ্যামের মিকি ফন ডি ভেনের শট দারুণভাবে রক্ষা করেন বুনো। প্রথমার্ধে এটাই ছিল ডাচদের একমাত্র ভালো সুযোগ।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে সাইবারি ডাচ গোলমুখে ভেসে আসা একটি ক্রসে ঠিকমতো সংযোগ ঘটাতে পারেননি।

নাটকীয়তা এরপরও থামেনি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ একে অপরকে ব্যস্ত করে তোলে। দ্বিতীয় হাইড্রেশন বিরতির পর ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন। ফরোয়ার্ড ওট উইগর্স্টকে মাঠে নামানোর পর ম্যাচের মোড় যেন নেদারল্যান্ডসের দিকে ঘুরে যায়। উইগর্স্ট নামার সঙ্গে সঙ্গেই ম্যাচে প্রভাব ফেলেন। তার একটি লম্বা বল ফ্লিক সামারভিলের ক্রসে গাকপো বল জালে জড়ালে ডেডলক ভাঙে নেদারল্যান্ডস।

ভার্জিল ফন ডাইকের নেতৃত্বে দারুণ সংগঠিত ডাচ রক্ষণ দেখে মনে হচ্ছিল নেদারল্যান্ডস জয়ের পথেই রয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ডিওপের হেডে গোল হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

৯৬তম মিনিটে সুফিয়ান রাহিমির একক প্রচেষ্টায় মরক্কো প্রায় এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার শট অবিশ্বাস্য এক সেভে রুখে দেন ভারব্রাগেন।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। মরক্কো প্রথম শটেই ব্যর্থ হয়। এল-আয়নায়ির শট ক্রসবারে লাগে। তবু উত্তর আফ্রিকার দলটি ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয়। নেদারল্যান্ডসের হয়ে পেনাল্টির সুযোগ মিস করেছেন জাস্টিন ক্লুইভার্ট, কুইন্টেন টিম্বার ও সামারভিলে। আশরাফ হাকিমি তার সুযোগটি হাতছাড়া করলেও শেষ পর্যন্ত সাইবারির গোলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।