• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

শেষ মুহূর্তের গোলে জাপানকে বিদায় করল ব্রাজিল

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বদলী খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির ইনজুরি টাইমের গোলে জেদী জাপানকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে ফেবারিট ব্রাজিল।

আর্সেনাল উইঙ্গার মার্টিনেলি হিউস্টোনের ম্যাচে ৯৫ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন। আর এর মাধ্যমে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো জপানীজ দর্শককে হতাশ হতে দেখা যায়।

পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আগামী রোববার নিউ জার্সিতে শেষ ষোল রাউন্ডে আইভরি কোস্ট বনাম নরওয়ের মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে।

মিডফিল্ডার কাইসু সানোর ২৯ মিনিটে গোলে জাপান এগিয়ে গিয়েছিল। ব্রাজিলের মধ্যমাঠের ভুলে সানো বল কেড়ে নিয়ে একক প্রচেষ্টায় বল জালে জড়ান। হঠাৎ করেই স্টেডিয়াম ভর্তি হলুদ জার্সিধারী সমর্থকরা নিস্তব্ধ হয়ে যায়। কার্লো আনচেলত্তির দল বিরতির ১১ মিনিটের মধ্যে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর হেডে ম্যাচে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে এক অন্য ব্রাজিলকে দেখা গেছে। শুরু থেকেই তাদের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মত। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মার্টিনেলির জয়সূচক গোলে স্বস্তি ফিরে পায় পুরো ব্রাজিল শিবির।

বিশ্বকাপের ইতিহাস অবশ্য এই ম্যাচের আগে জাপানের পক্ষে ছিলনা। এর আগে কখনই ব্লু সামুরাইরা নক আউটে পর্বে কোনও ম্যাচ জিততে পারেনি। আর তাদের বিপরীতে ছিল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, পার্থক্যটা কিন্তু এখানেই। কিন্তু এটা ব্রাজিলের সেই ঐতিহ্যবাহী দল নয়। যদিও দলটি পরিচালনার দায়িত্বে আছেন পরীক্ষীত কোচ আনচেলত্তি। তবুও গ্রুপ পর্বের পারফরমেন্সে জাপানকে এবারের আসরের ডার্ক হর্স হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

ব্যাকড্রপে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের একটানা ড্রামের শব্দ, সাথে ডাগ আউটে আনচেলত্তির ঠান্ডা মাথার একের পর এক কৌশল আর খেলোয়াড়দের দৃঢ় আত্মবিশ্বাস, এসবই ৬৮, ৭৭৭ দর্শকে ঠাসা হিউস্টোন স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের জয়ের জন্য যথেষ্ঠ ছিল।

বড় স্ক্রিনে যখনই দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমারকে বদলী বেঞ্চ থেকে দেখানো হয়েছে তখনই চারিদিকে গগনবিদারী চিৎকার শোনা গেছে।

ম্যাচের শুরুতে ডিফেন্সিফ মিডফিল্ডার সানো ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে পায়ে আঘাত করে হলুদ কার্ড দেখেন। পরের মিনিটে ব্রাজিলিয়ান এ্যাটাকার কুনহার শট ঠেকাতে বাধ্য হন গোলরক্ষক জিওন সুজুকি।
অক্টোবরে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারানো জাপানকে আজকের ম্যাচে খুঁজে পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকান জায়ান্টদের বিরুদ্ধে এটাই এশিয়ান পরাশক্তি জাপানের প্রথম জয়। ২৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোলে এগিয়ে যায় হাজিমে মোরিয়াসুর দল। ডানিলোর ভুলে সানো বল কেড়ে নিয়ে সেন্টার থেকে দৌড়ে গিয়ে জোড়ালো শটে ব্রাজিল গোলরক্ষক এ্যালিসনকে পরাস্ত করেন। জাতীয় দলের হয়ে এটাই বুন্দেসলিগায় মেইঞ্জের হয়ে খেলা সানোর প্রথম গোল।

২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করা ব্রাজিল এক গোল হজম করে আরও নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য কোন আক্রমনই তারা করতে পারেনি। যে কারনে বিরতির পর বাধ্য হয়েই একাদশে পরিবর্তন আনে আনচেলত্তি। লুকাস পাকুয়েটার স্থানে ১৯ বছর বয়সী এ্যাটাকিং মিডফিল্ডার এনড্রিক মাঠে নামেন।

গ্রুপ পর্বে তিউনিশিয়াকে পরাজিত ও নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের সাথে ড্র করে শেষ ৩২ নিশ্চিত করা জাপান দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই রক্ষনাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে। আর সেই সুযোগে ব্রাজিল তাদের উপর চড়াও হয়। জাপানীর ডিফেন্ডার তাকেহিরো টোমিয়াসু দুইবার লাইনের উপর থেকে বল ক্লিয়ার করেন।

৫৬ মিনিটে আর্সেনাল ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহেসের ক্রসে ক্যাসেমিরো হেডের সাহায্যে গোল করে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান। ডেঞ্জারম্যান ভিনিসিয়াসের শট জাপানীজ রক্ষনভাগকে ফাঁকি দিয়ে সুজুকিকে পরাস্ত করলেও পোস্টে লেগে ফেরত আসে। তবে শেষ মুহূর্তে মার্টিনেলি দারুন এক গোলে ব্রাজিলকে জয় উপহার দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।