• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

পাকিস্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ

Reporter Name / ৬৫ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশ

ব্যাট হাতে স্বর্ণা আক্তারের ঝড়ো ক্যামিও ইনিংস এবং বাঁহাতি স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলা ও নাহিদা আক্তারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ-১ এর তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে টাইগ্রেসরা। ফলে সেমিফাইনালে খেলার আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ। অন্যদিকে তিন ম্যাচ খেলেও জয়ের দেখা না পাওয়া পাকিস্তান টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, তাদের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট।

ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও সোবহানা মোস্তারির ৩৫ রানের জুটি দলকে বিপদ থেকে টেনে তোলে।

সোবহানা ১৯ বলে ২২ রান করে বিদায় নেন। এরপর রিতু মনি ও স্বর্ণা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন নিগার। রিতু করেন ৭ রান, আর নিগার ৫টি চারসহ ৩৮ বলে ৩৬ রান করে আউট হন।

দলীয় ৯২ রানে নিগারের বিদায়ের পর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের স্কোরকে লড়াকু অবস্থানে নিয়ে যান স্বর্ণা আক্তার। তিনি ৫টি চারে ২২ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। রাবেয়া অপরাজিত থাকেন ৪ রানে। পাকিস্তানের হয়ে ফাতিমা সানা দুটি উইকেট শিকার করেন।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ভালো সূচনা পেলেও অষ্টম ওভারে নাহিদা আক্তার প্রথম সাফল্য এনে দেন বাংলাদেশকে। এরপর নাহিদা ও মেঘলার স্পিন জাদুতে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

৪৯ রান পর্যন্ত উইকেট না হারানো পাকিস্তান এক পর্যায়ে ৮৪ রানে অষ্টম উইকেট হারায়। অর্থাৎ মাত্র ৩৫ রানের ব্যবধানে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০০ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন ওপেনার মুনিবা আলি।

বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তার ১৮ রানে এবং সানজিদা আক্তার মেঘলা ২১ রানে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন স্বর্ণা আক্তার।

গ্রুপ পর্বে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে আগামী ২৫ জুন ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।