• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়

Reporter Name / ৭০ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ম্যাথেউস কুনহার জোড়া গোলে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপ অভিযানকে নতুন গতি দিয়েছে। একইসাথে শেষ ৩২’পর্বে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করার পর ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা হাইতির বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। এই পরাজয়ে ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি।

ফিলাডেলফিয়ায় প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কুনহা গোলে ব্রাজিল এগিয়ে যায়। পরে তিনি আরও একটি গোল করেন। বিরতির আগেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র তৃতীয় গোল যোগ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

২৪ জুন মিয়ামিতে গ্রুপ ‘সি’-এর শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলা হাইতির অভিযান শেষ হবে আটলান্টায় মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে।

বর্তমানে গোল ব্যবধানে মরক্কোর চেয়ে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলে পরবর্তী রাউন্ডে তাদের মুখোমুখি হতে পারে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্স-আপ দল হিসেবে নেদারল্যান্ডস, জাপান অথবা সুইডেন।

পেশীর চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকায় নেইমার দলের সঙ্গে সফরে যাননি। এ নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা মজা করে বলেন, নেইমার “দূর থেকে কাজ করছেন”।

মরক্কোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলে পরিবর্তন আনেন। ইগর থিয়াগোর পরিবর্তে কুনহকে আক্রমণভাগে সুযোগ দেন এবং রাইট-ব্যাকে রজার ইবানিয়েজের বদলে দানিলোকে খেলান।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে হাইতি থেকে সমর্থকেরা আসতে না পারলেও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক হাইতিয়ান অভিবাসী দর্শক গ্যালারির প্রায় অর্ধেক অংশ পূর্ণ করেন এবং নিজেদের দলকে জোরালো সমর্থন দেন।

গত সপ্তাহে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে পয়েন্ট না পাওয়ায় হতাশ হাইতির কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে তার খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ উপভোগ করতে উৎসাহিত করেছিলেন।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ৭৭ ধাপ। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্রাজিল। রাফিনিয়া বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়।

তবে সেটিই ছিল ব্রাজিলের এগিয়ে যাবার ইঙ্গিত। ২৩তম মিনিটে ব্রাজিল এগিয়ে যায়। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণের সূচনা করেন কুনহা। ভিনিসিয়াসের শট গোলরক্ষক প্রতিহত করার পর হাইতির ডিফেন্ডার হ্যানেস ডেলক্রোয়ারের ক্লিয়ারেন্স কুনহার গায়ে লেগে জালে প্রবেশ করে।

এরপর আবারও ভিনিসিয়াস ও কুনহার সমন্বয়ে আসে দ্বিতীয় গোল। ভিনিসিয়াসের চমৎকার এ্যাসিস্টে হাইতির রক্ষণভাগ ভেঙে বাম পায়ের শক্তিশালী শটে গোল করেন কুনহা।

ম্যাচের মধ্যে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। তবে বিরতির আগে ব্রাজিল আরও একটি গোল করে। লুকাস পাকেতার উঁচু পাস ধরে ভিনিসিয়াস এগিয়ে যান এবং গোলরক্ষক জনি প্লাসিদের দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান।

দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি ৫২ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ গোলের খুব কাছে পৌঁছে যায়। কর্নার থেকে রিকার্দো আদের হেড গোলরক্ষক আলিসন বেকার অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন। তবে এটিই ছিল হাইতির পুরো ম্যাচে কয়েকটি ভাল মুহূর্তের একটি।

আনচেলত্তি বেঞ্চ থেকে ১৯ বছর বয়সী এন্দ্রিককে মাঠে নামালে ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে স্টেডিয়াম মুখর হয়ে ওঠে। বদলি খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির শট ক্রসবাওে না লাগলে ব্যবধান বাড়তে পারতো। এন্দ্রিকের গোল অফসাইডের কারনে বাতিল হয়।

তবুও হাইতি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে এ্যালিসন আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্রাজিলের ব্যবধান ধরে রাখেন।

এর ফলে টানা সাত ম্যাচ পর প্রথমবারের মতো ক্লিন শিট অর্জন করে ব্রাজিল। বিশ্বকাপের হতাশাজনক সূচনাকে পেছনে ফেলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবার ইঙ্গিত দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।