• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ছুটি শেষে আজ খুলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, আবু বকর ৭ দিনের রিমান্ডে

সাইবারির দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর জয়

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ইসমায়েল সাইবারির এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলে শুক্রবার স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে নক আউট পর্বের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে মরক্কো। জিলেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ-সি’র ম্যাচে মাত্র ৭১ সেকেন্ডে গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন সাইবারি।

গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করেছিল মরক্কো। ঐ ম্যাচেও গোল করেছিলেন সাইবারি। ৬৪ হাজার ১৪৬ জন সমর্থকের উপস্থিতিতে কালকের ম্যাচে দুই দলের শারিরীক লড়াই ছিল চোখে পড়ার মত।

২৫ বছর বয়সী সাইবারির জন্ম স্পেনে ও বেড়ে ওঠা বেলজিয়ামে। ইতোমধ্যেই ডাচ চ্যাম্পিয়ন পিএসভি এইনডোভেন থেকে ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে বায়ার্ন মিউনিখে যাবার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।

গোলরক্ষক এ্যাঙ্গাস গুনকে পরাস্ত করে তার গোল করার দক্ষতা প্রমান করে কেন তাকে নিয়ে বড় দলগুলো আগ্রহ দেখাচ্ছে। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে স্কটল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। প্রতিপক্ষের বক্সে তাদের এলোমেলো আক্রমন দলকে কাঙ্খিত গোল উপহার দেয়নি। একইসাথে প্রমানিত হয়েছে কেন মরক্কো বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৫ম ও স্কটল্যান্ড ৪০তম।

দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে মরক্কো শেষ ৩২’র পথে এক পা দিয়ে রেখেছে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে তার সেমিফাইনালে খেলে সকলকে বিস্মিত করেছিল।

বিপরীতে স্কটিশ ফরোয়ার্ডরা পুরো ম্যাচে একবারের জন্য মরোক্কান গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে পরীক্ষায় ফেলতে পেরেছিল। এই একই স্টেডিয়ামে গত সপ্তাহে প্রথম ম্যাচে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা হাইতির বিরুদ্ধে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপে এটাই তাদের প্রথম জয়। একইসাথে এই জয়ের পর বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত গ্রুপ পর্বেল বাঁধা পার করার স্বপ্নেও বিভোর হয়ে ওঠে স্কটিশরা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে তাদের।

মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের পর এই ম্যাচেও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামেন। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের কোচ স্টিভ ক্লার্ক দলে তিনটি পরিবর্তন আনেন।

ক্লার্ক রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন। ফলে স্ট্রাইকার লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড একাদশ থেকে বাদ পড়েন এবং ডিফেন্ডার কিয়েরান টিয়ার্নি দলে এসে পাঁচজনের রক্ষণভাগ গঠন করেন। তবে সেই পরিকল্পনা খুব একটা কাজে আসেনি, কারণ ম্যাচ শুরুতেই এগিয়ে যায় মরক্কো।

গোলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াজ। গ্রান্ট হ্যানলি অফসাইড ট্র্যাপ ভাঙতে ব্যর্থ হওয়ায় ইসমাইল সাইবারি বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে জালে পাঠান।

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে দুই দলের শেষ সাক্ষাতে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারানো মরক্কো আক্রমণে উঠলেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলছিল। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। ৩৬তম মিনিটে বিলাল এল খান্নুস একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন। আক্রমণে স্কটল্যান্ড ছিল বরাবরের মতোই নিষ্প্রভ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময় পর্যন্ত তারা উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি। অধিনায়ক অ্যান্ডি রবার্টসন বাম দিক থেকে একটি চমৎকার ক্রস পাঠালেও জন ম্যাকগিন সেটিকে কাজে লাগাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধেও পাঁচ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় মরক্কো। এল খান্নুসের কাট-ব্যাক পাস থেকে সাইবারির নেওয়া শট জ্যাক হেন্ড্রির গায়ে লেগে ক্রসবারে আঘাত করে। এর কিছুক্ষণ পরই গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গান দারুণ এক সেভ করে এল খান্নুসের হেড ঠেকিয়ে দেন। কর্নারটি নিয়েছিলেন আশরাফ হাকিমি, যাকে ম্যাচজুড়ে দর্শকদের একাংশের দুয়োধ্বনি শুনতে হয়।

৬৪তম মিনিটে রায়ান ক্রিস্টি স্কট ম্যাকটমিনের পাস থেকে সুযোগ পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে মারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।