• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল ভুট্টা ক্ষেতে

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ     টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিখোঁজের একদিন পর ফাতেমা নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ভবানীটেকীর নেংড়াবাজার এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফাতেমা (৫) নেংড়াবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আবু সামার মেয়ে। সে স্থানীয় মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার আসর নামাজের পর থেকে ফাতেমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও তার নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে স্থানীয়রা ঘাস কাটতে গেলে মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশে খবর দিলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের মামা জনি খান বলেন, ফাতেমার কানে স্বর্ণের গহনা ও গলায় একটি রুপার মালা ছিল, যা মরদেহ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি। কোনো দুর্বৃত্ত আমার ভাগনিকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গহনা ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে।

মধুপুর থানার ওসি একেএম ফজলুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার আগে অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।