• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শ্রমিকদের রুটি-রুজির স্বার্থ সংরক্ষণে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হতে কম্পিউটার, সেলাই মেশিন ও বিজনেস কার্ট দিল রাসিক প্রশাসন রাজশাহীতে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ‘শ্রমিকের মজুরির প্রশ্নে বিজিবি নামায় যে রাষ্ট্র, সে রাষ্ট্র কার পক্ষে’ নিরাপত্তার কারণে আল নাসরের দলে নেই রোনালদো বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলার চুরিতে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতা, জানাল এফবিআই রাজশাহীতে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের ‍উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

এ সময়ে হাসপাতালটির হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ৩১ শিশু ভর্তি হয়েছে। রোববার সকাল পর্যন্ত হাম ও হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন ছিল ৭৮ শিশু।

দুই শিশু হলো— ময়মনসিংহের গৌরীপুর বুলবুল হোসেনের ১০ মাস বয়সী ছেলে সাদেকুল ও ফুলপুর উপজেলার হুমায়ুন মিয়ার ছেলে ৯ মাস বয়সী ছেলে সোহান।

গত ২২ মার্চ হামের লক্ষণ নিয়ে সোহান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে সাদেকুল গত ১১ এপ্রিল ভর্তি করা হয়। পরে শনিবার রাত ১২টার দিকে মারা যায় সে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয় মোট ৪০২ শিশু। এর মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩১২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে মোট ২৮ শিশু।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুজন করে হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি হতে শুরু করে। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে ৬৪ শয্যাবিশিষ্ট পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড আছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা চলছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, সর্বশেষ নতুন করে ৩১ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।