গাছের নিচে সারিবদ্ধ করে রাখা মৌ-বক্স। এর মধ্যেই প্রতিবছরের মতো গোবিন্দনগর এলাকার লিচু বাগানে মৌয়ালরা এসেছেন মধু সংগ্রহ করতে। শুধু গোবিন্দনগর নয়, জেলার বিভিন্ন এলাকার লিচু বাগানে মুকুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন মৌয়ালরা। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা বিক্রি করেন বলে জানান মৌয়ালরা।
মৌয়ালদের আগমনে স্থানীয় অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে। বাগানের খাঁটি মধু পেতে স্থানীয়রাও ছুটে আসছেন মধু নিতে। এখানের মধুতে কোনো ভেজাল নেই তা ছাড়া বাজারের চেয়ে অনেক কম দামে মধু পাওয়া যায় বলে জানান স্থানীয়রা।
এভিয়ান ফ্লুতে ময়মনসিংহে মুরগি শূন্য খামার, পথে বসছেন খামারিরা
পরাগায়নের ফলে লিচুর ভালো ফলন পাওয়ার পাশাপাশি রোগ বালাইও কমবে। আবহাওয়া খারাপ না হলে চাহিদার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে বলে মনে করেন কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।
ঠাকুরগাঁও কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, মৌ চাষের ফলে পরাগায়ন ঘটছে, ফলে ফলন উৎপাদন বেশি হচ্ছে।’মৌ চাষের মাধ্যমে লিচুর ফলন বৃদ্ধি হলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার কৃষি বিভাগ।





















