• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্রমিকদের রুটি-রুজির স্বার্থ সংরক্ষণে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হতে কম্পিউটার, সেলাই মেশিন ও বিজনেস কার্ট দিল রাসিক প্রশাসন রাজশাহীতে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ‘শ্রমিকের মজুরির প্রশ্নে বিজিবি নামায় যে রাষ্ট্র, সে রাষ্ট্র কার পক্ষে’ নিরাপত্তার কারণে আল নাসরের দলে নেই রোনালদো বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলার চুরিতে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতা, জানাল এফবিআই রাজশাহীতে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার

লিচুর মুকুলে মৌমাছির ভিড়; ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ত মৌয়ালরা

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ  ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু বাগানগুলোতে মধু সংগ্রহ করতে মৌয়ালরা বসিয়েছেন ‘মৌ বাক্স’। সেখান থেকে দলে দলে মৌমাছির ঝাঁক বসছে লিচুর মুকুলে। এরই মধ্যে অনেক চাষি শেষ করেছেন মধু সংগ্রহ। মুকুল থেকে মধু সংগ্রহের শেষ সময়ে বর্তমানে ব্যস্ত মধু চাষিরা। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে।

গাছের নিচে সারিবদ্ধ করে রাখা মৌ-বক্স। এর মধ্যেই প্রতিবছরের মতো গোবিন্দনগর এলাকার লিচু বাগানে মৌয়ালরা এসেছেন মধু সংগ্রহ করতে। শুধু গোবিন্দনগর নয়, জেলার বিভিন্ন এলাকার লিচু বাগানে মুকুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন মৌয়ালরা। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা বিক্রি করেন বলে জানান মৌয়ালরা।

মৌয়ালদের আগমনে স্থানীয় অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে। বাগানের খাঁটি মধু পেতে স্থানীয়রাও ছুটে আসছেন মধু নিতে। এখানের মধুতে কোনো ভেজাল নেই তা ছাড়া বাজারের চেয়ে অনেক কম দামে মধু পাওয়া যায় বলে জানান স্থানীয়রা।

এভিয়ান ফ্লুতে ময়মনসিংহে মুরগি শূন্য খামার, পথে বসছেন খামারিরা

পরাগায়নের ফলে লিচুর ভালো ফলন পাওয়ার পাশাপাশি রোগ বালাইও কমবে। আবহাওয়া খারাপ না হলে চাহিদার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে বলে মনে করেন কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।

ঠাকুরগাঁও কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, মৌ চাষের ফলে পরাগায়ন ঘটছে, ফলে ফলন উৎপাদন বেশি হচ্ছে।’মৌ চাষের মাধ্যমে লিচুর ফলন বৃদ্ধি হলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার কৃষি বিভাগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।