• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শ্রমিকদের রুটি-রুজির স্বার্থ সংরক্ষণে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হতে কম্পিউটার, সেলাই মেশিন ও বিজনেস কার্ট দিল রাসিক প্রশাসন রাজশাহীতে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ‘শ্রমিকের মজুরির প্রশ্নে বিজিবি নামায় যে রাষ্ট্র, সে রাষ্ট্র কার পক্ষে’ নিরাপত্তার কারণে আল নাসরের দলে নেই রোনালদো বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলার চুরিতে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতা, জানাল এফবিআই রাজশাহীতে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার

ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত বার্সা; ২০ বছরে প্রথমবার ক্যাম্প ন্যুতে আতলেটিকোর জয়োল্লাস

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে আতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছে বার্সেলোনা। এ জয়ে বার্সেলোনার মাঠে ২০ বছর ধরে জিততে না পারার আক্ষেপ ঘোচাল আতলেতিকো। এর আগে, সবশেষ ২০০৬ সালে বার্সেলোনাকে তাদের মাঠে হারিয়েছিলো মাদ্রিদের ক্লাবটি। আর আতলেটিকোর দায়িত্ব নেয়ার পর ১৯তম ম্যাচে এসে বার্সেলোনার মাঠে জয়ের স্বাদ পেলেন সিমেওনে।

হোম ভেন্যুতে শুরু থেকেই দাপুটে শুরু করে বার্সেলোনা। একেরপর এক আক্রমণ করে কোণঠাসা করে রাখেন দিয়েগো সিমিওনের আতলেটিকোকে। তবে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে দৃশ্যপট বদলে যায় বার্সার ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি লাল কার্ড দেখলে।

ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন দলটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ। ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আতলেটিকো। বিরতি থেকে ফিরে ১০ জন নিয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি বার্সা।

গ্যালারিতে ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান: স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত শুরু

উল্টো ম্যাচের ৭০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আতলেতিকোর আলেক্সান্ডার সরলথ। এ গোলের পর ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় হ্যানসি ফ্লিকের শিষ্যরা।

দিনের অপর ম্যাচে লিভারপুলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে জয় পেয়েছে পিএসজি। গোল করেছেন দিজায়ের দুয়ে ও খাবিচা খাবারৎসখেইয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।