• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ১১তম দিনের এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ, আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, জাল সনদধারী শিক্ষক চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের র‍্যাংকিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তি নির্ভর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’, ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ সমন্বিত প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনে শূন্য পদের তালিকা পিএসসিতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষাব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদান কার্যক্রম এবং একাডেমিক তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ বা প্রভাব মূল্যায়নের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।