• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মহানগরীর সিটিটিসি এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যৌথ অভিযানে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন- নওগাঁ জেলার মান্দা থানার ভরট্ট শিবনগর গ্রামের মো: মোজ্জামেল হকের ছেলে মো: শাহিনুর ইসলাম (৩০)।

গতকাল ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগর সিটিটিসি এবং ডিবি পুলিশের একটি যৌথ টিম জানতে পারে রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর এলাকার বক্ষব্যাধি (আইডি) হাসপাতালের সামনে পুকুর পাড়ে একজন ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর (এডি) হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করাসহ প্রভাব বিস্তার করছে।

পুলিশের ঐ টিম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে উক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে একটি পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে। তবে তার বক্তব্যে অসংগতি পরিলক্ষিত হলে একপর্যায়ে সে ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা করার বিষয়টি স্বীকার করে। পরবর্তীতে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে তার মানিব্যাগে দুইটি পরিচয়পত্র পাওয়া যায় যার একটিতে তার পরিচয় ‘এসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্ট ডিজিএফআই’ এবং আরেকটিতে এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার ডিজিএফআই লিখা ছিল। তার নিকট থেকে দুইটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, আসামি দীর্ঘদিন ধরে ডিজিএফআই এর কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা করে আসছিল। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে বিভিন্ন নারীর অশালীন ছবি ও ভিডিও পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারীর সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে এসব অশালীন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করেছে।

এ ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় পর্নোগ্রাফি এবং দন্ড বিধি আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ তাকে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।